চাঁদপুর সদর উপজেলার ১নং বিষ্ণুপুর ইউনিয়নে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটের আগুনে এক অসহায় পরিবারের বসতঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে প্রায় ৫ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে জানা যায়।১নং বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের প্রধানীয়া বাড়ির হানিফ প্রধানীয়া বসত ঘর পল্লী বিদ্যুতের মিটারের ত্রুটি হয়ে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত ঘটে। এতে তার পুরো ঘরটি ছাই হয়ে যায়, ঘরের ভিতরে থাকা সকল আসবাবপত্র কিছুই সে সময় সরাতে পারেনি।অভিযোগ উঠেছে পল্লী বিদ্যুতের উদাসীনতার কারণে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। শুক্রবার ২৬ সেপ্টেম্বর আছরের নামাজের পর অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে, প্রায় দেড় ঘণ্টার চেষ্টায় স্থানীয়রা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে, তবে এ ঘটনায় কেউ হতাহত হননি।ক্ষতিগ্রস্ত হানিফ পাটওয়ারীর স্ত্রী জানান, ‘আমি কয়েকবার পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে মিটারের সমস্যার কারণ জানানোর পরও তারা কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। তাদের উদাসীনতায় আমার এত বড় ক্ষতি হয়ে গেছে।’এলাকাবাসী জানান, পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে গেলে গ্রাহকদের সাথে খারাপ আচরণ যেন তাদের নিত্যসঙ্গী। অসহায় পরিবারকে সরকার, প্রশাসনিক এবং বৃত্তবানরা যেন এই পরিবারকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয়, এমনটা এলাকাবাসী দাবি করেছেন।এ বিষয়ে চাঁদপুর সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসার মোহাম্মদ আফতাবুল ইসলাম বলেন, ‘ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে সার্বিকভাবে সহযোগিতা করা হবে।’চাঁদপুর পল্লী বিদ্যুত সমিতির ২ এর জেনারেল ম্যানেজার প্রকৌশলী রাশেদুজ্জামান জানান, ‘ঘর পুড়ে যাওয়ার বিষয়টি আমি অবগত হয়েছি। এতে আমাদের মিটারের ত্রুটি আছে কিনা সেটার জন্য আমি তদন্ত পাঠাবো, তদন্তের পর এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’এ ঘটনায় শনিবার ২৭ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টায় বিষ্ণুপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট কাইয়ুম মোল্লার পুড়ে যাওয়া বসত ঘর পরিদর্শনে যান। সেখানে গিয়ে তিনি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে সান্তনা ও সাহায্য সহায়তার আশ্বাস প্রদান করেন। এ সময় ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি সুজন প্রধানীয়া, ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি মোহাম্মদ আলী মালসহ বিভিন্ন সামাজিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।এসআর
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
