রাজবাড়ীর পাংশায় এক শিশু পুকুরে মাছ মারাকে কেন্দ্র করে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। এতে একই পরিবারে পাঁচজনের অধিক আহত হয়েছে বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা। শুক্রবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকালে পাংশা উপজেলার মৌরাট ইউনিয়নের তেলিগাতি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন, একই গ্রামের কামাল মন্ডল (৭০), কামাল মন্ডলের দুই মেয়ে মাহফুজা খাতুন (৪০), ফিরোজা খাতুন (৩৬), কামাল মন্ডলের স্ত্রী কমলা খাতুন (৫৫) ও কামাল মন্ডলের ছেলে বাবুল মন্ডলের স্ত্রী কাজল আক্তার (৩৫)।কামাল মন্ডলের ছেলে বাবুল মন্ডল জানান, শুক্রবার সকালে আমার শিশু পুত্র আমাদের পুকুরে বরশি দিয়ে মাছ ধরতে যায়। এমন সময় আমার চাচাতো ভাই আব্দুর রাজ্জাক মন্ডল আমার শিশু ছেলেকে চড় থাপ্পর মারে। বিষয়টি আমরা প্রতিবাদ করলে আব্দুর রাজ্জাক মন্ডল ও তার স্ত্রী মনিরা খাতুন দেশীয় ধারালো অস্ত্র নিয়ে এসে আমাদের উপর হামলা চালায়। এতে আমার বাবা-মা, দুই বোন ও আমার স্ত্রীকে মারধর করে এবং ঘরের আসবাবপত্র ভাঙচুর করে। শোকেসে থাকা নগদ ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার লুট করে নিয়ে যায়, যার আনুমানিক মূল্য ৩ লক্ষাধিক টাকা।তিনি আরো বলেন, আব্দুর রাজ্জাক মন্ডলের ধারালো দায়ের কোপে আহত হয়ে পাংশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছেন আমার বড় বোন।এ বিষয়ে অভিযুক্ত আব্দুর রাজ্জাক মন্ডল ও তার স্ত্রী মনিরা খাতুনের সঙ্গে কথা বলতে তাদের বাড়িতে গেলে পাওয়া যায়নি এবং তাদের কোনো ফোন নম্বর না পাওয়ায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।স্থানীয়রা জানান, রাজ্জাক একজন প্রবাসী। বাড়ি আসলেই কোনো না কোনো ঝামেলা করবেই টাকার গরম আর ক্ষমতার প্রভাব বিস্তার করতে। এমন করে তিনি ও তার পরিবার। তারা আরো বলেন, রাজ্জাকের পরিবারের সাথে এলাকার মানুষের সঙ্গে কোনো সুসম্পর্ক নেই। বলাচলে তারা একঘরে।সরে জমিনে গিয়ে দেখা যায়, পুকুরের মধ্যে ইটের দেওয়াল দেওয়া রয়েছে। এটাতে বুঝতে পারা যায় তাদের সম্পর্কে কতটা ফাটল।পাংশা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সালাউদ্দিন বলেন, ‘এমন সংবাদ শুনেছি। অভিযোগের ভিত্তিতে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’এনআই
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
