সাতক্ষীরার বিভিন্ন সীমান্তে আটক নারী ও শিশুসহ আরও ১০ বাংলাদেশি নাগরিককে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) কাছে হস্তান্তর করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় সাতক্ষীরার তলুইগাছা সীমান্তে বিজিবি-বিএসএফ অনুষ্ঠিত এক পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে তাদেরকে হস্তান্তর করা হয়। পরে রাত সাড়ে ১০টার দিকে তাদেরকে সাতক্ষীরা সদর থানায় সোপর্দ করা হয়।এরা হলেন- সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার সোনাতলা পূর্বপাড়া গ্রামের আব্দুল মাজেদ কারিগরের ছেলে মো. নেয়ামত আলী (৫১) ও নিয়ামত আলীর স্ত্রী পাপিয়া বেগম (৪৬), পাটকেলঘাটা থানার পাটকেলঘাটা গ্রামের রাজু আমির মোল্লার স্ত্রী শিলা আক্তার সরবানু (২৪) ও তাদের দুই ছেলে হাবিব (৯) এবং লাবিব (৪ মাস), খুলনার তেরখাদা থানার হাড়িখালি গ্রামের আব্দুস সালাম এর ছেলে আব্দুল মোছা (৩৬), আব্দুল মোছার স্ত্রী আফরোজা খাতুন (৩৫) ও তাদের মেয়ে রুকাইয়া খাতুন (৫), গাইবান্ধা জেলার গোবিন্দগঞ্জ থানার পৌয়াখালী গ্রামের আশরাফ মিয়ার স্ত্রী মোসাম্মত মুসলিমা খাতুন (২১), তাদের মেয়ে আনাবিয়া (১)। মুসলিমা খাতুন ও তার মেয়ে আনাবিয়া জন্মসূত্রে ভারতীয় নাগরিক।বিজিবির বরাতে সাতক্ষীরা সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন্স) সুশান্ত ঘোষ জানান, গত ২৩ সেপ্টেম্বর রাত ১০টার দিকে ভারতের হাকিমপুর চেক পোস্ট অতিক্রম করার সময় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) হাকিমপুর ক্যাম্পের একটি টহল দলের সদস্যরা তাদের আটক করে। পরবর্তীতে বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় বিএসএফ আমুদিয়া কোম্পানি কমান্ডার ইন্সপেক্টর বিকাশ কুমার এবং সাতক্ষীরাস্থ বিজিবি তলুইগাছা বিওপি কমান্ডার নায়েব সুবেদার আবুল কাশেমের মধ্যস্থতায় পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে তাদেরকে হস্তান্তর করা হয়। পরে রাত সাড়ে ১০টার দিকে তাদেরকে সাতক্ষীরা সদর থানা পুলিশে সোপর্দ করা হয়। এ ঘটনায় নায়েব সুবেদার মো. আবুল কাশেম (৫৬) বাদি হয়ে সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন।পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন্স) সুশান্ত ঘোষ জানান, বৃহস্পতিবার দুপুরে হস্তান্তরকৃত বাংলাদেশি নাগরিকদের নাম-ঠিকানা যাচাই-বাছাই শেষে তাদেরকে স্বজনদের হাতে তুলে দেয়া হয়েছে।এআই
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
