নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় গ্রীষ্মকালীন আন্তঃস্কুল ফুটবল টুর্নামেন্ট খেলায় হেরে ক্ষিপ্ত হয়ে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ সময় খেলোয়াড়সহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সাড়ে ১১ টার দিকে বসুরহাট থেকে চাপরাশি হাট সড়কে এ ঘটনা ঘটে। পরে বেলা সাড়ে ১২ টা থেকে বিকেল ৪ টা পর্যন্ত হামলার প্রতিবাদে নতুন বাজার থেকে চাপরাশি হাট সড়ক অবরোধ করে হামলার শিকার খেলোয়াড়রা ও তাদের সহপাঠীরা।এ ঘটনায় আহতরা হলেন, কবি জসিম উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রূপম, নিশাত, মারুফ, আরাফাত, আলামিন, ফারদিন, মাহি, অপূর্ব, আবদুল্লাহ, তানজিদ।সূত্রে জানা যায়, ৫২ তম গ্রীষ্মকালীন জাতীয় স্কুল, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার অংশ হিসেবে কবি জসিম উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত ফুটবল ম্যাচে বসুরহাট আবদুল হালিম করোনেশন সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ও পৌর আবু নাছের উচ্চ বিদ্যালয় প্রতিদ্বন্দিতা করে। খেলায় আবদুল হালিম করোনেশন সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ১-০ গোলে হেরে যায়। এ সময় ক্ষিপ্ত হয়ে আবদুল হালিম করোনেশন সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্ররা আবু নাছের পৌর উচ্চ বিদ্যালয় ও কবি জসিম উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রদের সঙ্গে বাক বিতণ্ডা ও হাতাহাতিতে জড়ায়।সে ক্ষোভ থেকে একই সময়ে অনুষ্ঠিত হওয়া অন্য ভ্যানু বসুরহাট আবদুল হালিম করোনেশন সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে খেলে কবি জসিম উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ফেরার পথে বসুরহাট থেকে চাপরাশি হাট সড়কে কবি জসিম উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পথরোধ করে ১০ জন শিক্ষার্থীকে পিটিয়ে আহত করে।এর প্রতিবাদে কবি জসিম উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা নতুন বাজার থেকে চাপরাশি হাট সড়ক ৪ ঘণ্টা অবরোধ করে রাখে। পরে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রুবাইয়া বিনতে কাশেম ঘটনাস্থলে গেলে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা তাদের ৩টি দাবি উপস্থাপন করে। সমস্যা গুলো সমাধান করার আশ্বাস দিলে শিক্ষার্থীরা অবরোধ কর্মসূচী স্থগিত করে।এ বিষয়ে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তানভীর ফরহাদ শামীম বলেন, ইতোমধ্যে ফুটবল প্রতিযোগিতা ও সাঁতার প্রতিযোগিতা স্থগিত করা হয়েছে। বিকেলে সংশ্লিষ্ট তিন স্কুলের শিক্ষকদের নিয়ে জরুরি বৈঠক করা হয়েছে। উপজেলা প্রশাসন থেকে তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে, তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।এসআর
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
