আগামী জাতীয় নির্বাচনে মাঠে থাকবে সেনা, নৌ, বিমানবাহিনীর সদস্যরা। বর্তমানে ৩০ হাজার মাঠে আছে। তবে নির্বাচনের সময় এক লাখ সেনাবাহিনী কাজ করবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লে. জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে এক মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের কাছে এ মন্তব্য করেন তিনি।স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, সেনাবাহিনীর সঙ্গে পুলিশ, আনসার, বিজিবি, কোস্টগার্ড ও প্রশাসনের লোকজন থাকবেন। নির্বাচন শুধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর নির্ভর করে না, এটি নির্ভর করে জনগণের ওপর। জনগণই আসল শক্তি। জনগণ নির্বাচনমুখী হয়ে গেলে কেউ আটকাতে পারবে না। রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে মতৈক্য হয়ে গেলে নির্বাচন হতে সুবিধা। এরপর নির্বাচনী কর্মকর্তা, প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সুষ্ঠু-সুন্দর নির্বাচন হবে।সন্ত্রাসীদের হাতে থাকা অবৈধ অস্ত্র আগামী ফেব্রুয়ারি মাসে অনুষ্ঠেয় নির্বাচনে প্রভাব ফেলবে কি না, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের উত্তরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অস্ত্র উদ্ধারে পুলিশের সফলতা অনেক। ইতোমধ্যে অনেক অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে। কিছু অস্ত্র বাইরে রয়ে গেছে। নির্বাচনের আগে আরও অস্ত্র উদ্ধার হয়ে যাবে।চট্টগ্রামসহ সারা দেশে ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল নিয়ে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, আজ ঢাকায় মিছিল হয়েছে। আমরা চেষ্টা করছি তাদের আইনের আওতায় আনতে। তারা সহজে জামিন না পায়, সেদিকে লক্ষ রাখা হচ্ছে। নির্বাচনের সময় মিছিলের সংখ্যা বাড়বে, সবাই মাঠে নামবে। তবে ছোটখাটো এসব (ছাত্রলীগের) মিছিল আর হবে না।গণমাধ্যমকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আপনারা যদি সত্য ঘটনা প্রচার করেন, তবে গুজব ছড়ানোর সুযোগ কমে যাবে। অতীতে পাশের দেশ থেকে অনেক উল্টাপাল্টা খবর আসত। কিন্তু আপনারা কাউন্টার দেওয়ায় তা অনেক কমেছে। তবু তারা আবার চেষ্টা করতে পারে। আমি আপনাদের অনুরোধ করব, এবারও আপনারা সত্য তথ্য জনগণের কাছে পৌঁছে দেবেন। আমি ডিসি ও এসপি সবাইকে বলেছি, সত্য তথ্য যেন গণমাধ্যমে যায়। সত্য ঘটনা প্রকাশ না হলে গুজব তৈরি হতে পারে।শান্তিপূর্ণ দুর্গাপূজার আশা জানিয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, এবারের দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ এবং উৎসবমুখর হবে বলে আমরা আশা করছি। কোনো জায়গায় বড় ধরনের কোনো সমস্যা নেই। দুর্গাপূজা একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান, এ জন্য এর পবিত্রতা রক্ষা করা জরুরি। আমি অন্যান্য ধর্মের মানুষদেরও অনুরোধ করছি, তারা যেন সহযোগিতা করেন, যাতে পূজার আয়োজন শান্তিপূর্ণভাবে হয় এবং ধর্মীয় পবিত্রতা রক্ষা পায়।এমআর-২
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
