মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় মোহাম্মদ আলী প্লাজার মোবাইল মার্কেটে ডাকাতির প্রস্তুতি কালে তিন ডাকাতকে আটক করে জনতা। আটকের পর গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করা হয়। এ সময় আরও দুই জন কৌশলে পালিয়ে যায়।মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টায় উপজেলার ভবেরচর বাস স্ট্যান্ড সংলগ্ন মোহাম্মদ আলী প্রধান প্লাজায় তৃতীয় তলায় একটি মোবাইল শো-রুমে এই ঘটনা ঘটে।আটককৃতরা হলেন- মো. জালাল (৩৪) কুমিল্লা জেলার দেবিদ্বার উপজেলার দলাশ গ্রামের সুন্দর আলীর ছেলে, মো. রফিক (৩৩) মুরাদনগর উপজেলার যাত্রাপুর গ্রামের বজলু মিয়ার ছেলে এবং মো. রবিন (২১) নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার চর জব্বর গ্রামের সৈকত উদ্দিনের ছেলে।মার্কেটের ব্যবস্থাপক সুমন প্রধান বলেন, অন্যান্য দিনের মতো আমাদের মার্কেটের নিরাপত্তা কর্মী বিপ্লব সকাল আটটায় গেটের তালা খুলে মার্কেটের ৫ম তলায় আমাদের অফিসে প্রবেশ করে। এই সুযোগে ডাকাত চক্রের কয়েকজন মার্কেটের ভেতরে প্রবেশ করে ৩য় তলার একটি মোবাইলের শো-রুমের তালা ভাঙার চেষ্টা করতে থাকে। এ সময় মার্কেটের নিরাপত্তা কর্মী ৫ম তলার অফিস রুমের মনিটরে সিসিটিভির ফুটেজে ডাকাতদের তৎপরতার বিষয়টি লক্ষ্য করেন। তাৎক্ষণিকভাবে তিনি বিষয়টি আমাকে জানালে আমিসহ কয়েকজন মার্কেটে প্রবেশ করে তাদের ঘেরাও করে ফেলি। এ সময় দুই জন পালিয়ে গেলেও ৩ জনকে আটক করি। তাদের পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে।জনতার হাতে আটক ৩ ডাকাত জানিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে এই মার্কেটে ডাকাতির পরিকল্পনা করছিল। মূল উদ্দেশ্য ছিল মোবাইলের শো-রুম থেকে মোবাইল লুট করা। সেই পরিকল্পনা থেকেই ডাকাতির চেষ্টা করা।গজারিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আনোয়ার আলম আজাদ বলেন, খবর পাওয়া মাত্রই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। উত্তেজিত জনতা আটক ৩ ডাকাতকে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছে। আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।এআই
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
