টানা বর্ষণে রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের অভ্যন্তরীণ টার্মিনালের সামনে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। এতে টার্মিনালে প্রবেশ ও বের হতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রীরা। অনেক যানবাহনের ইঞ্জিনে পানি ঢুকে বন্ধ হয়ে যায়।সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) ভোর ৬টা থেকে সকাল ৯টা পর্যন্ত মাত্র তিন ঘণ্টায় ঢাকায় ৭১ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়। এর আগে রোববার (২১ সেপ্টেম্বর) রাত ১২টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত আরও ৩৪ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়। অতিরিক্ত বর্ষণের কারণে ভোর থেকেই বিমানবন্দরের অভ্যন্তরীণ টার্মিনালের সামনে পানি জমতে থাকে। সকাল থেকে যাত্রীরা টার্মিনালে যেতে শুরু করলে ব্যক্তিগত যানবাহন প্রবেশ করতে সমস্যায় পড়ে। কয়েকটি সিএনজি ও গাড়ির ভেতর পানি ঢুকে পড়ে এবং কিছু গাড়ির ইঞ্জিন বন্ধ হয়ে যায়।জলাবদ্ধতা নিরসনের দায়িত্বে থাকা বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) প্রকৌশল দপ্তরের এক কর্মকর্তা জানান, আশকোনা হজ ক্যাম্প থেকে বিমানবন্দর পর্যন্ত টানেলের নির্মাণকাজের কারণে পানি অপসারণের লাইন বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে ভারী বর্ষণে পানি জমে যাচ্ছে।তিনি আরও জানান, সোমবার সকালে জলাবদ্ধতার কারণে অনেক যানবাহন সরাসরি অভ্যন্তরীণ টার্মিনালে প্রবেশ করতে না পেরে আন্তর্জাতিক টার্মিনালের পার্কিং এলাকা ঘুরে আসে। এতে যানজট তৈরি হয় এবং যাত্রীদের বিশেষ ভোগান্তিতে পড়তে হয়। তবে দুপুরের পর পানি কিছুটা নেমে যায়।এ বিষয়ে জানতে বেবিচকের প্রধান প্রকৌশলী মো. জাকারিয়া হোসাইনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।সম্প্রতি ডিএনসিসির প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ বিমানবন্দর রেলস্টেশন-সংলগ্ন এলাকা পরিদর্শনে গিয়ে জানান, বর্ষায় এয়ারপোর্ট-আশকোনা এলাকায় জলাবদ্ধতা নিরসনে বেবিচক, রেলওয়ে, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে এবং ডিএনসিসি একযোগে কাজ করবে। তবে এখনো দৃশ্যমান কোনো কাজ হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে।ডিএনসিসির জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. জোবায়ের হোসেন জানান, তারা বেশ কিছু জলাবদ্ধতার স্থান চিহ্নিত করেছেন, যার মধ্যে বিমানবন্দর এলাকা অন্যতম। এসব এলাকায় জলাবদ্ধতা নিরসনে কাজ চলছে।এসআর
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
