ফুটবলের ‘জাদুকর’ বলতেই প্রথমে চোখে ভাসে ম্যারাডোনা-পেলের নাম। হালের মেসি কিংবা রোনালদোরাও নিজেদের ফুটবলীয় কারিশমায় জাদুকরের মর্যাদা পেয়েছেন। তবে যাদুকর না হলেও পায়ে ফুটবল নাচিয়ে তাক লাগাচ্ছে ৫ম শ্রেণীর স্কুল শিক্ষার্থী দশ বছর বয়সী জিসান। পায়ে দীর্ঘ সময় ফুটবল নাচানো দেখে এলাকাবাসীর নিকট ক্ষুদে ম্যারাডোনা হিসেবে পরিচিতি তার।কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার জালালপুর ফেকামারা গ্রামের পঞ্চম শ্রেণীর শিক্ষার্থী জিসান (১০)। স্থানীয় চর ঝাকালিয়া মডেল সরকারি স্কুলের ৫ম শ্রেণীর শিক্ষার্থী।জিসানের ফুটবল নৈপুণ্যে মুগ্ধ সবাই। ফুটবল যেনো পা থেকে পড়তেই চায় না। এক পায়েই টানা দীর্ঘক্ষণ ফুটবল নাচাচ্ছে স্কুল পড়ুয়া। দেখে মনে হবে ফুটবল তার কথা শুনছে। এই ভাবেই পায়ে ফুটবল নাচিয়ে তোলপাড় সৃষ্টি করেছে এলাকায়।মাত্র ১০ বছর বয়সী এই তরুণ ফুটবলারের দক্ষতা দেখে মুগ্ধ হন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এতেই তিনি জিসানের ভবিষ্যৎ গড়ার দায়িত্ব নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে তারেক রহমানের পক্ষে জিসানের বাড়িতে যান বিএনপির ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক এবং জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়ক আমিনুল হক। এ সময় তিনি উপহার হিসেবে জিসানের হাতে বুট, জার্সি ও ফুটবলসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম তুলে দেন। এছাড়াও পড়াশোনা সহ পরিবারের দায়িত্ব নেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।এ সময় সাথে উপস্থিত ছিলেন কটিয়াদী উপজেলা বিএনপির সভাপতি তোফাজ্জল হোসেন খাঁন দিলীপ, সাধারণ সম্পাদক আরিফুর রহমান কাঞ্চনসহ অনেকেই।স্কুল শিক্ষার্থী জিসান জানায়, ছোটবেলা থেকেই ফুটবল খেলা নেশা তার। মোবাইলে ম্যারাডোনার খেলা দেখে অনুপ্রেরণা পেয়েছি। আজ আমার স্বপ্ন কিছুটা পূরণ হয়েছে। ভালো খেলোয়াড় হতে পারলে তখনই পুরাপুরি সত্যি হবে লালিত স্বপ্ন।জিসানের পিতা জজ মিয়া বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করতাম একদিন না একদিন, কেউ না কেউ আমার ছেলের পাশে দাঁড়াবে। তারেক রহমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা। আজ আমার সেই বিশ্বাস পূর্ণ হয়েছে।’এনআই
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
