নেত্রকোনার খালিয়াজুড়ির ধনু নদীতে বরযাত্রীবাহী স্পিডবোট ডুবে নারীশিশুসহ চারজনের নিখোঁজের ২২ ঘণ্টা পর এষা মনি নামের পাঁচ বছরের শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল।শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১টা ৩০ মিনিটে ধনু নদীতে ভাসমান অবস্থায় মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। বাকি তিনজনের মরদেহ উদ্ধারের কাজ করছে ফায়ার সার্ভিস। এ ঘটনায় এখনও নিখোঁজ রয়েছেন এক নারী ও দুই শিশু।গত শুক্রবার দুপুরে উপজেলার গাজীপুর ইউনিয়নের আন্ধাইর গ্রামের নবাব মিয়ার ছেলে রানা মিয়ার বিয়ের অনুষ্ঠানে বরযাত্রী নিয়ে যাওয়ার জন্য একটি স্পিডবোট ভাড়া আনা হয়েছিল। বোটটি বরযাত্রী রওনা হওয়ার আগ মুহূর্তে কিছুক্ষণের জন্য বিয়ে বাড়ির ১৫ জন মিলে শুক্রবার বিকালে তারা ধনু নদীতে ঘুরতে যাওয়ার পর পাচহাট আন্ধাইর গ্রামের ভীম জালের মাছ ধরা নৌকার সাথে ধাক্কা খেলে মাঝ ধরার নৌকার মাঝি স্পিডবোট থামাতে বলে। বোটে ওঠা চালকের সাথে ধস্তাধস্তি করতে থাকে। এ সময় বোটটি ডুবে গেলে তিনজন সাঁতরে তীরে ওঠেন।এ ঘটনায় নিখোঁজরা হলো, উপজেলার বয়রা গ্রামের নবাব মিয়ার মেয়ে শিরিন আক্তার (১৮), আন্ধাইর গ্রামের স্বপন মিয়ার মেয়ে লায়লা (৭), নোপায়েল মিয়ার মেয়ে উষা মনি (৫) ও সামসু মিয়ার মেয়ে সামিয়া (১১)।এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়ে কিশোরগঞ্জের ইটনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি আছেন বয়রা গ্রামের হেলিম মিয়ার স্ত্রী রোজিনা আক্তার (৩০)।নেত্রকোনা ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক হাফিজুর রহমান জানান, ময়মনসিংহ থেকে ফায়ার সার্ভিসের একটি ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে এসে সকাল থেকে উদ্ধার কাজ করছে। কিছুক্ষণ আগে একজনের মরদেহ উদ্ধার হয়েছে।এআই
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
