রাজশাহীর পুঠিয়ার বানেশ্বরে কসাই পট্টিতে গর্ভে বাচ্চাসহ গরু জবাই করে মাংস বিক্রির অভিযোগ ওঠেছে রিয়াজুল ইসলাম নামে এক কসাইয়ের বিরুদ্ধে। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন প্রভাবশালী স্থানীয় নেতারা। এরপর থেকে কসাই রিয়াজুল পলাতক রয়েছেন।বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকালে বানেশ্বর বাজারে এই ঘটনা ঘটে। ওই গাভিটি জবাই করার আগে বানেশ্বর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কর্তৃক নিযুক্ত চৌকিদার এসে সিলও মেরে যায়।বাজারে উপস্থিত লোকজন জানান, বৃহস্পতিবার সকালে রিয়াজুল কসাই একটি গাভি জবাই করে মাংস বিক্রি করা শুরু করে। এ সময় রিয়াজুলের কর্মচারী রাজু বাছুরটি লুকানোর চেষ্টা করে। তখন বাজার করতে আসা এক ব্যক্তির চোখে পড়ে। ঘটনাটি জানাজানি হলে রিয়াজুল কসাই পালিয়ে যায়। বাজার করতে আসা লোকজনের অভিযোগ, এই রিয়াজুল এর আগেও মরা ও অসুস্থ গরু জবাই করে বিক্রি করেছিল। কিন্তু হাটের প্রভাবশালী লোকজনদের টাকা দিয়ে সে সবকিছু ম্যানেজ করে নেয়।বানেশ্বর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাক দুলালের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি। তবে বানেশ্বর বণিক সমিতির সভাপতি মতিউর রহমান মতি জানান, প্রাণিসম্পদ অফিসের লোকজন এসেছিল। কসাই রিয়াজুলের বিরুদ্ধে মামলা করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম জানান, ঘটনাস্থলে গিয়ে বাকি মাংসগুলো মাটিতে পুঁতে ফেলা হয়েছে। রিয়াজুল কসাই পালিয়ে গেছে।এ বিষয়ে পুঠিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শিবু দাস সুমিত জানান, আমি ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম। সবকিছু শুনেছি। এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।এসআর
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
