মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগরে পল্লী বিদ্যুতের অফিসের বিলিং ও সার্ভার শাখায় তালা ঝুলিয়েছে আন্দোলনকারী কর্মচারীরা। এ সময় প্রায় আধা ঘণ্টা অবরুদ্ধ অবস্থায় থাকেন ডিজিএম খন্দকার মাহমুদুল হাসান।বুধবার (০৯ সেপ্টেম্বর) সকালে জেলার শ্রীনগর উপজেলার বেঁজগাঁও এলাকার পল্লী বিদ্যুত অফিসে এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ পৌঁছে ডিজিএমকে অবরুদ্ধ অবস্থা থেকে উদ্ধার করে।জেলার শ্রীনগর উপজেলা পল্লী বিদ্যুতের জোনাল অফিসের ডিজিএম খন্দকার মাহমুদুল হাসান জানান, আন্দোলনরত ২০-২৫ জন কর্মচারী তার অফিসকক্ষে প্রবেশ করেন। এ সময় তাকে অবরুদ্ধ করে সার্ভার ও বিলিং শাখায় তালা ঝুলিয়ে দেয়। এ সময় তিনি থানা পুলিশকে অবগত করেন। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পুলিশ পল্লী বিদ্যুত অফিসে ছুটে এলে আন্দোলনরত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রস্থান করে। পরে তাকে অবরুদ্ধ অবস্থা থেকে উদ্ধার করে বিলিং ও সার্ভার শাখার তালা ভেঙে ফেলেন।এ প্রসঙ্গে মুন্সিগঞ্জ জেলা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সভাপতি হামিদুল ইসলাম লিংকন বলেন, ‘আমি গ্রাহকদের প্রতিনিধি। গ্রাহকদের ভোগান্তির সৃষ্টি হয় এমন কোনও ধরণের আন্দোলন সংগ্রামকে সমর্থন করি না। তবে যারা আন্দোলন করছেন তাদের দাবি যদি যৌক্তিক হয়, তাহলে সেটি অন্যভাবেও আদায় করা সম্ভব। আমি তাদের অনুরোধ করছি, তারা অবশ্যই তাদের দাবি আদায়ের জন্য আন্দোলন করতে পারেন। তবে কোন ভাবেই গ্রাহকদের ভোগান্তির কারণ হয়ে না দাঁড়ায়-এমন কোন আন্দোলন করবেন না।’এদিকে গ্রাহকরা বলছেন, অনির্দিষ্টকালের জন্য পল্লী বিদ্যুৎ কর্মচারীদের কর্মবিরতির কারণে তারা সেবা পাচ্ছেন না। ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। গত দু’দিন ধরে বিদ্যুতের লোডশেডিংয়ের পরিমাণও বেড়েছে। এমনটা চলতে থাকলে সাধারণ মানুষ ক্ষেপে যাবে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে আন্দোলনকারী এক কর্মচারী বলেন, ‘কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে আমরা আন্দোলন করছি। আমাদের দাবি আদায়ের লক্ষ্যে কর্মবিরতি করছি।’এআই
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
