ভোলার বোরহানউদ্দিনে পরকীয়া প্রেমের অভিযোগ তুলে এক নারীকে গাছে বেঁধে, চুল কেটে ও গলায় জুতার মালা পরিয়ে হেনস্তার ঘটনায় গ্রেপ্তার বিএনপি নেতাসহ পাঁচ আসামিকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টায় ভোলা জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মো. সোহান সরকার।কারাগারে পাঠানো আসামিরা হলেন, মামলার এজাহার নামীয় প্রধান বিএনপি নেতা মো. কবির হোসেন (৪৮), মো. রশিদ (৫৮), মো. মেহেদী হাসান (২১), মো. ইসমাইল (২৫) ও মো. মিরাজ (২৮)। তাদের সবার বাড়ি বোরহানউদ্দিন উপজেলার বড়মানিকা ইউনিয়নের উত্তর বাটামারা ৫ নম্বর ওয়ার্ডে।তিনি জানান, গত ৭ সেপ্টেম্বর সকালে ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার বড়মানিকা ইউনিয়নের উত্তর বাটামারা ৫ নম্বর ওয়ার্ডে পরকীয়া প্রেমের অভিযোগে প্রকাশ্যে একজন নারীর চুল কেটে ও গলায় জুতার মালা পরিয়ে জনসম্মুখে হেনস্তা করা হয়। উক্ত ঘটনায় ওই নারী বাদি হয়ে বোরহানউদ্দিন থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন যার মামলা নম্বর-১১।তিনি আরও জানান, ঘটনার পরপরই জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশে বোরহানউদ্দিন থানার একাধিক আভিযানিক টিম উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে এজাহারনামীয় পাঁচ আসামিকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। ঘটনার সাথে জড়িত অন্যান্য আসামিদেরও গ্রেপ্তারের অভিযান অব্যাহত আছে বলেও জানান এ পুলিশ কর্মকর্তা।এ বিষয়ে জানতে চাইলে বোরহানউদ্দিন উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব অ্যাডভোকেট কাজী মোহাম্মদ আজম বলেন, ‘বিষয়টি আমরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানতে পেরেছি। বিএনপির ওই নেতা অতি উৎসাহী হয়ে কাজটি করেছেন। বিএনপি এসব অন্যায় কাজকে সাপোর্ট করে না।’ তবে তার বিরুদ্ধে খুব শিগগিরই সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।এসআর
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
