জামালপুর জেলার দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার বাহাদুরাবাদ ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ড চর বাহাদুরাবাদ এলাকায় ৫ গ্রামের ৫ হাজার মানুষের খাল পারাপারের যাতায়াতের একমাত্র ভরসা একটি রশি টানা ড্রামের ভেলা। ২০ বছরের বেশি সময় পার হলেও নির্মাণ হয়নি ব্রিজ। এতে চরম বিপাকে ৫ হাজার মানুষ। প্রতিদিন বাহাদুরাবাদ খেওয়া ঘাট থেকে চর বাহাদুরাবাদ শুক্কুরবাজার এই রাস্তায় দিয়ে শতশত মানুষ যাতায়াত করে থাকেন। কিন্তু ব্রিজ নেই, পানির নিচে পড়ে আছে এক টুকরো ভাঙা সেতু, যা নির্মাণ হয়েছিল ২০ বছর আগে, কিন্তু টেকেনি একবছরও। পরের বছর বন্যায় সেতুটি ভেঙে খালের পরিণত হয়। ফলে ভোগান্তিতে এলাকাবাসী। পাশেই অবস্থিত বন্যা কবলিত মানুষের জন্য আশ্রয় কেন্দ্র, কিন্তু ব্রিজ না থাকায় বন্যার সময় আশ্রয় নিতে পারেনা বানভাসি মানুষ, কেননা পার হবে কী দিয়ে সেই দুশ্চিন্তায়।বাহাদুরাবাদ খেওয়া ঘাট টু শুক্কুরবাজারের রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন আজিজুলপুর, পন্ডিত পাড়া, গুকিনাথ পাড়া, চর মাঘরিহাট, চর বাহাদুরাবাদ ও হড়িচন্ডী এলাকার পথযাত্রীরা যাতায়াত করেন।স্থানীয় বাসিন্দা কেরামত আলী জানান, দীর্ঘদিন হলো ব্রিজ না থাকায় চরম বিপাকে আমরা এলাকাবাসী। প্রতিদিন যাতায়াত করে থাকি, কিন্তু দুঃখের বিষয় ব্রিজ নাই। বন্যার সময় পারাপার হতে পারি না। তাই দাবি করছি একটা ব্রিজ নির্মাণের।বাহাদুরাবাদ ইউনিয়ন ৬ নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য আনোয়ার হোসেন বলেন, আমার ৬ নং ওয়ার্ড চর বাহাদুরাবাদ এলাকায় বাহাদুরাবাদ খেওয়া ঘাট টু শুক্কুরের বাজারের পাশেই ব্রিজ না থাকায় আমরা ভোগান্তিতে। কয়েক বছর আগে আমার চাচা ব্রিজ না থাকায় বন্যার সময় সাঁতার দিয়ে পার হওয়ার সময় মৃত্যুবরণ করেন। আমরা দাবি জানাই ব্রিজ নির্মাণের জন্য।দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী ইঞ্জিনিয়ার জয়নাল আবেদীন সময়ের কন্ঠস্বরকে জানান, ধন্যবাদ জানাই সময়ের কন্ঠস্বরকে এই রকম অবহেলিত এলাকার জনদুর্ভোগের নিউজ আমি দেখতে পাই এবং আমার নজরে আসে। চর বাহাদুরাবাদ এলাকার ব্রিজের জন্য প্রস্তাবনা পাঠিয়েছি। অনুমোদন পেলে ধারাবাহিকভাবে ব্রিজ নির্মাণ করে এলাকাবাসীর যাতায়াতের পথ সুগম হবে।এসআর
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
