‘আমার মা মরে গেলে আমি কাকে মা বলে ডাকবো? কে আমাকে আদর করবে? কে আমাকে ভাত তুলে খাওয়াবে?’ মায়ের কষ্ট দেখে কাঁদতে কাঁদতে কথাগুলি বলছিলেন অবুঝ শিশু মুনতাহা।জরায়ুমুখে টিউমার, পিত্তথলিতে পাথর ও কিডনি সমস্যায় আক্রান্ত মাকে বাঁচাতে সাহায্যের আবেদন করেছেন অবুঝ শিশুটি। ডাক্তার বলেছে অপারেশন করতে ৭০ হাজার টাকা খরচ হবে। কিন্তু দরিদ্র পরিবারের পক্ষে এই চিকিৎসার ব্যয় বহন করা অসম্ভব। উল্লেখ্য, ১৬ আগস্ট ২০২৫ ‘মাকে বাঁচাতে সন্তানের আকুতি, প্রয়োজন ৭০ হাজার টাকা’ শিরোনামে ‘সময়ের কন্ঠস্বরে’ খবর প্রকাশ হয়। এরপর ৭০ হাজার টাকার মধ্যে ১৪ হাজার টাকা যোগাড় হয়।মোছা: রাহেনা বেগমের বাড়ি কুড়িগ্রাম জেলার নাগেশ্বরী উপজেলার নগরপাড়া গ্রামে।রাহেনার মেয়ে মুনতাহা জানান, দীর্ঘদিন ধরে তার মা শারীরিক অসুস্থতায় ভুগছিলেন। পরে চলতি বছরের জুলাইয়ে কুড়িগ্রাম সেন্টাল হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক জানান, রাহেনাকে বাঁচাতে অতি দ্রুত তার অপারেশন করতে হবে।এরপর রাহেনার পরিবার একবারে ভেঙে পড়ে। মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘোরা শুরু করেন। কিন্তু কিছুতেই কোনো কাজ হয় না।এরপর বাড়িতে এসে আবারও খুবই অসুস্থ হওয়ায় তাকে কুড়িগ্রাম হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। সেখানে ডাক্তার জানান, অপারেশন করা ছাড়া তাকে বাঁচানোর উপায় নেই।আজ ৩১ আগস্ট রবিবার পেটের প্রচণ্ড ব্যথায় অজ্ঞান হয়ে পড়লে রাহেনাকে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। টাকা যোগাড় হলে আজ রাতেই হবে অপারেশন।এ বিষয়ে রাহেনা বলেন, ‘আমাকে আপনারা বাঁচান। আমার জরায়ুমুখে প্রচণ্ড কামড়া কামড়ি করে, তলপেট প্রচণ্ড ব্যথা করে, হাঁটাচলা করা যায় না, মাথা ও পুরো শরীর ব্যথায় ছিঁড়ে পড়ে। কোমড় ও পা সবসময় ব্যথা করে। উঠতেই পারি না, বসতেও পারি না। আর প্রায়ই জ্বর আসে।’সাহায্য পাঠাতে: মোবাইল ব্যাংকিং: মোছা: রাহেনা বেগম: ০১৩৪৩২৩৮৬৮৪ (বিকাশ/নগদ)।এফএস
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
