অনুমতি ছাড়া দাড়ি রাখার ‘অপরাধে’ হবিগঞ্জ জেলার তিন পুলিশ সদস্যকে লঘু শাস্তি দেওয়া হয়েছে। গত ২১ আগস্ট জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয় থেকে এক আদেশে তাদের লঘুদণ্ড হিসেবে দুই দিন দুই ঘণ্টা করে ‘পিডি’ প্রদান করা হয়। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে সমালোচনার ঝড় উঠেছে।গত বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) পুলিশ সুপার কার্যালয় থেকে স্মারক নং-৪১৭৫/(আরও) জারি করা আদেশে বলা হয়, ইসলামি শরীয়াহ মোতাবেক দাড়ি রাখার ইচ্ছা প্রকাশ করে নিম্নবর্ণিত পুলিশ সদস্যরা লিখিত আবেদন দাখিল করেছিলেন। নির্ধারিত দিনে তারা পুলিশ সুপারের কাছে হাজির হলে দেখা যায়, ইতোমধ্যেই তারা দাড়ি রেখেছেন। কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমতি ছাড়াই দাড়ি রাখায় তাদের প্রত্যেককে লঘুদণ্ড হিসেবে দুই দিন প্রতিদিন দুই ঘণ্টা করে ‘পিডি’ (Punishment Drill) প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।আদেশে আরআই (ভারপ্রাপ্ত), পুলিশ লাইন্স হবিগঞ্জকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে—শাস্তি কার্যকর করে প্রতিবেদন পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে প্রেরণ করতে। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট শাখার ইনচার্জদের মাধ্যমে ছাড়পত্র প্রদান করার নির্দেশও জারি করা হয়।শাস্তিপ্রাপ্ত তিন সদস্য হলেন- সদর কোর্টে কর্মরত কনস্টেবল মো. দুলাল মিয়া, অপরাধ শাখায় কর্মরত কনস্টেবল হৃদয় আহমেদ এবং মোটরযান শাখায় কর্মরত কনস্টেবল ইফতেখার হোসেন।হবিগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার এ এন এম সাজেদুর রহমানের স্বাক্ষরিত অফিস আদেশে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।অনুমতি ছাড়া দাড়ি রাখায় শাস্তি দেওয়ার ওই আদেশ কপিটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। অবশ্য পরদিন ২২ আগস্ট হবিগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার স্বাক্ষরিত একটি আদেশে ওই তিন পুলিশ সদস্যের আবেদনের প্রেক্ষিতে দাড়ি রাখার অনুমতি প্রদান করা হয়। আদেশে বলা হয়, হবিগঞ্জ জেলায় কর্মরত নিম্নবর্ণিত পুলিশ সদস্যরা ইসলামী শরিয়ত মোতাবেক দাড়ি রাখার জন্য আবেদন দাখিল করেছেন। তাদের দাখিলকৃত আবেদনের প্রেক্ষিতে ইসলামী শরিয়ত মোতাবেক দাড়ি রাখার অনুমতি প্রদান করা হলো।এসকে/আরআই
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
