শুল্কসহ বিভিন্ন ইস্যুতে ভারতের সঙ্গে চলমান টানাপোড়েনের মধ্যেই নিজের বিশ্বস্ত সার্জিও গোরকে দেশটির রাষ্ট্রদূত হিসেবে মনোনীত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শুক্রবার (২২ আগস্ট) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে এই ঘোষণা দেন তিনি।ট্রাম্প বলেন, “সার্জিও আমার খুবই ভালো বন্ধু। বহু বছর ধরে তিনি আমার পাশে আছেন। আমার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রচারাভিযানের সময় তিনি আমার পক্ষে কাজ করেছেন, আমার সর্বাধিক বিক্রিত বইগুলো তিনি প্রকাশ করেছেন এবং সফলভাবে রিপাবলিকান পার্টির বৃহত্তম রাজনৈতিক অ্যাকশন কমিটির নেতৃত্ব দিয়েছেন। আমি তাকে ভারতের রাষ্ট্রদূত হিসেবে মনোনীত করছি।”গোর বর্তমানে হোয়াইট হাউসের প্রেসিডেনশিয়াল কর্মী বিভাগের পরিচালকের পাশাপাশি ট্রাম্পের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক বিশেষ দূতের দায়িত্বের আছেন সার্জিও গোর। তাকে ভারতের রাষ্ট্রদূত হিসেবে মনোনীত করার কারণ হিসেবে পোস্ট করা বার্তায় ট্রাম্প বলেন, “ভারত বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল দেশ এবং সেদেশে রাষ্ট্রদূত নিয়োগের ক্ষেত্রে অবশ্যই এমন কাউকে আমার মনোনীত করা প্রয়োজন, যার ওপর আমি আমার এজেন্ডা বাস্তবায়নের জন্য পুরোপুরি নির্ভর করতে পারি। আমার সেই এজেন্ডা হলো—‘আমেরিকাকে ফের মহান করে তুলুন’।”সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে ট্রাম্পের এই পোস্ট শেয়ার করে তাকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন গোর। পাশাপাশি তিনি বলেন, “(ভারতে) যুক্তরাষ্ট্রকে নতুনভাবে উপস্থাপন করার জন্য প্রেসিডেন্ট ডোনল্ড ট্রাম্প আমাকে মনোনীত করেছেন। এটা আমার জীবনের অনেক বড় একটি সম্মান।ভারতের কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল জম্মু-কাশ্মিরের পেহেলগামে সন্ত্রাসী হামলার জেরে গত মে মাসে যে সংঘাত শুরু হয়েছিল ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে, তা থামাতে মধ্যস্থতার ভূমিকা নিয়েছিলেন ট্রাম্প এবং তিনি সফলও হয়েছিলেন। পাকিস্তান এজন্য ট্রাম্পের ব্যাপক প্রশংসা করলেও ভারত এ ইস্যুতে এখনও মার্কিন প্রেসিডেন্টের অবদানকে স্বীকৃতি দেয়নি।এতে ক্ষুব্ধ হয়ে গত জুলাই মাসে ভারতের ওপর অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ রপ্তানি শুল্ক আরোপ করেন ট্রাম্প। ফলে ভারতের ওপর নির্ধারিত মার্কিন রপ্তানি শুল্ক পৌঁছায় ৫০ শতাংশে। গত ২৭ আগস্ট এই শুল্ক কার্যকর হয়েছে।এমআর-২
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
