দেশের সর্ববৃহৎ স্থলবন্দর বেনাপোল দিয়ে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য হঠাৎ করে বড় ধরনের ধাক্কা খেয়েছে। পণ্য আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা, রাজনৈতিক অস্থিরতা ও ট্রাক চলাচলের সীমাবদ্ধতার কারণে ২০২৩-২৪ অর্থবছরের চেয়ে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে আমদানি কমেছে ৬ লাখ ৩১ হাজার ৩৩০ মেট্রিকটন এবং রপ্তানি কমেছে ৭৫ হাজার ২৩২ মেট্রিকটন। ফলে এ বন্দরকেন্দ্রীক ব্যবসা, শ্রমিক ও পরিবহন খাতে মারাত্মক প্রভাব পড়েছে। আগে স্বাভাবিক সময়ে প্রতিদিন ভারত থেকে প্রায় ৫৫০ থেকে ৬০০ ট্রাক পণ্য আমদানি এবং ২৫০ থেকে ৩০০ ট্রাক পণ্য রপ্তানি হতো। এখন তা নেমে এসেছে ২৫০ থেকে ৩০০ ট্রাক। একইভাবে বাংলাদেশ থেকে ভারতেও রপ্তানি প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে দিনে ১০০ ট্রাকের নিচে। ফলে বেনাপোল ও পেট্রাপোল বন্দর এলাকায় পরিবহন, গুদাম, হ্যান্ডলিং শ্রমিক ও ব্যবসায় স্থবিরতা ব্যাপকভাবে প্রভাব পড়েছে দু’দেশের বন্দর এলাকায়।ভারত-বাংলাদেশের পাল্টাপাল্টি নিষেধাজ্ঞায় দেশের সর্ববৃহৎ বেনাপোল স্থলবন্দরে বড় ধরনের বাণিজ্য ঘাটতি ও সংকট তৈরি হয়েছে। বৈশ্বিক মন্দা আর গত ৫ আগস্টের পর একের পর এক দু’দেশের পাল্টাপাল্টি নিষেধাজ্ঞায় ধস নেমেছে দেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যে। ভারত থেকে যেমন কমে আসছে আমদানিকৃত পণ্যবাহী ট্রাকের সংখ্যা, তেমনি ভারতে রপ্তানির ট্রাকও কমে আসছে। এর ফলে গভীর সংকটে পড়েছেন বেনাপোলের কয়েকশ’ সিএন্ডএফ এজেন্ট মালিক, কর্মচারী ও বেনাপোল স্থলবন্দরে কর্মরত এক হাজারের বেশি শ্রমিক। ভারত-বাংলাদেশ রাজনৈতিক টানাপড়েন, একাধিক নিষেধাজ্ঞা এবং কেন্দ্রীয় নীতিগত সিদ্ধান্তের কারণে সিএন্ডএফ ব্যবসায়ীসহ শ্রমিকদের কাজ হারানোর আশঙ্কা ক্রমেই প্রবল হয়ে উঠছে। ইতিমধ্যে অনেক সিএন্ডএফ অফিস বন্ধ হয়ে গেছে। সিএন্ডএফ কর্মচারী ও শ্রমিকরা বাধ্য হয়ে অন্য পেশায় চলে যেতে বাধ্য হচ্ছে। একই অবস্থা ওপারের পেট্রাপোল বন্দরে। ওপারের সরকারের বিরুদ্ধে ওপারের শ্রমিক-কর্মজীবী মানুষ প্রায় দিন মিছিল মিটিং করছে। তাদের দাবি স্থলপথে যেসব পণ্য আমদানি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে, সেগুলো আবার চালু করা হোক। ভারত সরকার কী কারণে একের পর এক এ পথে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ করে দিয়ে ভারতীয়দের অসহনীয় দুভোর্গের মধ্যে ফেলেছে।বাংলাদেশ স্থলবন্দরের পরিসংখ্যান বলছে, পণ্যে আমদানি নিষেধাজ্ঞা, রাজনৈতিক অস্থিরতা ও ট্রাক চলাচলের সীমাবদ্ধতার কারণে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বেনাপোল বন্দরে ভারত থেকে আমদানির পরিমাণ ছিল ২১ লাখ ৩০ হাজার ২২৮ মেট্রিকটন বিভিন্ন ধরনের পণ্য। অন্যদিকে কাস্টমসের পরিসংখ্যান বলছে, গেল ২০২৩-২৪ অর্থবছরে আমদানি হয়েছে ১৪ লাখ ৯৮ হাজার ৮৯৮ মেট্রিকটন পণ্য। এতে ২০২৩-২৪ অর্থবছরের চেয়ে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে আমদানি বাণিজ্য ঘাটতির মুখে পড়েছে ৬ লাখ ৩১ হাজার ৩৩০ মেট্রিকটন। অপরদিকে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বেনাপোল বন্দরে বাংলাদেশি পণ্য ভারত রপ্তানির পরিমাণ ছিল ৪ লাখ ৫৬ হাজার ৬৭২ মেট্রিকটন বিভিন্ন ধরনের পণ্য। অন্যদিকে গেল ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ভারতে রপ্তানি হয়েছে ৩ লাখ ৮১ হাজার ৪৪০ মেট্রিকটন পণ্য। এতে ২০২৩-২৪ অর্থবছরের চেয়ে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে এসের রপ্তানি কমেছে ৭৫ হাজার ২৩২ মেট্রিকটন।গত জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত চ্যাচিস বাদে আমদানি-রপ্তানিতে ধস নেমেছে। এ সময়ে আমদানি হয়েছে ৫৫ হাজার ৩৯০ ট্রাক পণ্য ও রপ্তানি হয়েছে ২১ হাজার ৭৩৮ ট্রাক পণ্য। চলতি আগস্ট মাসে আমদানি-রপ্তানিতে ব্যাপক ধস নামতে শুরু করেছে। গত ২ আগস্ট থেকে ১৭ আগস্ট পর্যন্ত ছুটি বাদে ১১ দিনে মাত্র ৩২০৬ ট্রাক পণ্য ভারত থেকে আমদানি হয়েছে আর ভারতে রপ্তানি হয়েছে মাত্র ৫৯৩ ট্রাক পণ্য। যা গড়ে আমদানির ক্ষেত্রে প্রতিদিন ২৯০ ট্রাক ও রপ্তানির ক্ষেত্রে ৫৩ ট্রাক।আমদানি পণ্যের মধ্যে ছিল শিল্প কারখানার কাঁচামাল, তৈরি পোশাক, গার্মেন্টস, শিশু খাদ্য, মাছ, কেমিক্যাল, মোটর পার্টস, কসমেটিকসসহ বিভিন্ন ধরনের পণ্য। এর মধ্যে উচ্চ শুল্ক আরোপকৃত পণ্যের আমদানি কমে গেছে। অপরদিকে রপ্তানি পণ্যের মধ্যে ছিল পাট, পাটের তৈরি পণ্য, তৈরি পোশাক, কেমিক্যাল, বসুন্ধরা টিস্যু, মেলামাইন, মাছ উল্লেখযোগ্য। কিন্তু দু’দেশের সরকারের বিধিনিষেধের কারণে পূর্বের তুলনায় বর্তমানে তা শূন্যের কোটায় নেমে এসেছে।বন্দর সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা জানান, গত বছরের ৫ আগস্টের পর থেকে দেশের সর্ববৃহৎ বেনাপোল স্থলবন্দরে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বাণিজ্য টানাপোড়েন চলছেই। বাণিজ্য কমে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন তারা, বাণিজ্য কমে যাওয়ায় কমে গেছে কাজকর্ম। ফলে আয়ও কমে গেছে। দু’দেশের মধ্যে বিধিনিষেধ আরোপ বন্ধের আহবান জানিয়েছেন ক্ষতির মুখে থাকা ব্যবসায়ীরা। গত বছর গণআন্দোলনের জেরে শেখ হাসিনা সরকার ক্ষমতা হারায় এবং দেশ ছেড়ে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ভারতে আশ্রয় নেন। তারপর থেকেই দু’দেশের মধ্যে বাণিজ্যে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে শুরু করে, যা এখনো অব্যাহত রয়েছে। রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং বাণিজ্যবান্ধব নীতিই পারে এ অবস্থা থেকে উত্তরণ ঘটাতে।বন্দরের ব্যবসায়ীরা মনে করছেন, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা ও আমদানি বিধিনিষেধ শিথিল না করলে বেনাপোল বন্দরের বাণিজ্য আরও তলানিতে পৌঁছাবে। এ অবস্থায় সরকার ও বেসরকারি খাতের সম্মিলিত উদ্যোগ ছাড়া এ সংকট কাটিয়ে ওঠা কঠিন হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।বাণিজ্যিক সংশ্লিষ্ট রাজা জানান, বর্তমানে ভারত সরকারের নিষেধাজ্ঞায় গত ৮ এপ্রিল থেকে ভারতের আকাশ পথ ব্যবহার করে বাইরের দেশে বাংলাদেশি পণ্য স্থলপথে রপ্তানি বন্ধ হয়ে গেছে। অপরদিকে বাংলাদেশ টেক্সাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের দাবিতে দেশীয় শিল্প রক্ষার কারণ দেখিয়ে বাংলাদেশ সরকার স্থলপথে ভারত থেকে সুতার আমদানি নিষিদ্ধ করেছে। পরবর্তী ১৭ মে ভারত সরকার আরেকটি নিষেধাজ্ঞায় গার্মেন্টস, তৈরি পোশাক, তুলা, সুতির বর্জ্য, প্লাস্টিক, কাঠের তৈরি আসবাবপত্র ও ফলজাতীয় পণ্য স্থলপথে রপ্তানি বন্ধ করে দেয়। এছাড়াও ২৬ জুন পাট ও পাট তৈরী পণ্য স্থলপথে রপ্তানি বন্ধ করে ভারত।সর্বশেষ সোমবার (১১ আগস্ট) নতুন করে বস্ত্র ও পাটজাত চার ধরনের পণ্য স্থলবন্দর ব্যবহার করে আমদানি করতে নাকরেছে ভারত। এগুলো হলো, পাটকিংবাত অন্য কোনো ধরনের উদ্ভিজ্জ তন্তু থেকে উৎপাদিত কাপড়, পাট দিয়ে তৈরি দড়ি, রশি, সুতলি ইত্যাদি অন্য তন্তু দিয়ে তৈরি দড়ি, রশি, সুতলি এবং পাটের বস্তা ও ব্যাগ।ভারতের পেট্রাপোল ক্লিয়ারিং এজেন্টস স্টাফ ওয়েল ফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক কার্তিক চক্রবর্তীর মতে, দুই দেশের পক্ষ থেকে একাধিক বিধিনিষেধ এ সংকটের মূলে। ভারত বাংলাদেশকে দেয়া ট্রান্সশিপমেন্ট সুবিধা বাতিল করেছে ৮ এপ্রিল, আর ১৩ এপ্রিল বাংলাদেশ ভারত থেকে স্থলপথে সুতা আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করে। পাশাপাশি ভারতও কিছু পণ্যের আমদানিতে কড়াকড়ি আরোপ করেছে। এসব নিষেধাজ্ঞার ফলে ব্যবসায়ী, শ্রমিক, পরিবহন সংস্থা সবাই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং হচ্ছে।ভারতীয় মজদুর সঙ্ঘের উত্তর ২৪ পরগনা জেলা সভাপতি অরুণাভ পোদ্দার (দেবু) বলেন, সরকারের সিদ্ধান্ত আমাদের মেনে নিতে হবে। তবে এক্ষেত্রে শ্রমিকদের কথাও সরকারের ভাবা উচিত। ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের পেট্রাপোল এবং তৎসংলগ্ন এলাকার বহু মানুষের রুটি রুজির একমাত্র ঠিকানা পেট্রাপোল বন্দর। যে হারে আমদানি কমছে, তাতে আমাদের লোড-আনলোডের কাজও বন্ধ হতে বসেছে। যা শ্রমিকদের রোজগারে বড়সড় প্রভাব ফেলছে। বর্তমানে কেউ কেউ দৈনিক ১০০ টাকাও উপার্জন করতে পারছেন না। অনেকেই রাজমিস্ত্রির জোগালি কিংবা মাঠের কাজ করছেন। তবে বর্ষার কারণে তাও জোটে না। পরিবারের মুখে দু’বেলা খাবার তুলে দেওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। পণ্য লোডিং-আনলোডিং, গোডাউন সংরক্ষণ, ক্লিয়ারিং প্রক্রিয়াসহ নানা স্তরে কাজ করে আসছিলেন কয়েক হাজার মুটে-মজদুর ও সাধারণ শ্রমিক। আজ অনেকে বেকার হয়ে বসে আছে।বেনাপোল ল্যান্ডপোর্ট ইমপোর্টার্স এন্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর রহমান জানান, এ বন্দর দিয়ে ভারত-বাংলাদেশের সিংহভাগ বাণিজ্য সম্পন্ন হলেও ৫ আগস্ট দেশের রাজনৈতিক পালাবদলের পর কমেছে পণ্যবাহী ট্রাক আসা যাওয়া। স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় বাণিজ্য কমে গেছে। বাণিজ্যের পরিমাণ কমে আসায় বন্দর দিয়ে সরকারের রাজস্ব আয়েও প্রভাব পড়েছে। এতে শুধু বাংলাদেশের নয়, ভারতের ক্ষতি হচ্ছে। তিনি আরো জানান, দু’দেশের পক্ষ থেকে আরোপিত নানা বিধিনিষেধই বাণিজ্যের এ ধসের মূল কারণ। দ্রুত এ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবি জানাচ্ছি।বেনাপোল সিএন্ডএফ এজেন্ট ব্যবসায়ীরা জানান, বেনাপোল বন্দরে বাণিজ্য স্বাভাবিক করতে হলে ভিসা নীতি সহজ করতে হবে। আগে বাংলাদেশি ব্যবসায়ীরা বাণিজ্যিক ভিসায় ভারতে গিয়ে সরাসরি পণ্য দেখে, বেছে নিয়ে আমদানি করতো। বর্তমান দু’দেশের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ক অবনতি হওয়ায় বাণিজ্যে ভিসা বন্ধ রয়েছে। ফলে আমদানি-রপ্তানি দুটোই কমে যাচ্ছে। ভারতে যেতে না পেরে ব্যবসায়ীদের মধ্যে অনিশ্চয়তা কাজ করছে। নতুন করে উদ্যোক্তা ও আমদানিকারকরা কেউ ঝুঁকি নিতে চাইছেন না।ব্যবসায়ীরা বলছেন, একের পর এক যেসব পণ্য বাংলাদেশ থেকে ভারতের রপ্তানিতে স্থলবন্দর ব্যবহার করে নিষেধাজ্ঞা আসছে, সেগুলোর প্রায় পুরোটা ভারত থেকে রপ্তানি করা হতো স্থলবন্দর ব্যবহার করেই। এখন সেগুলো সমুদ্রবন্দর ব্যবহার করে পাঠাতে হলে একদিকে সময় যেমন বেশি লাগবে, অন্যদিকে খরচও বাড়বে।বেনাপোল বন্দরের পরিচালক মো. শামিম হোসেন বলেন, বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে বেশ কিছু পণ্য আমদানি-রপ্তানিতে দু’দেশের সরকার নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। যার অধিকাংশ উৎপাদন হয় দেশেই। এসব পণ্য আমদানি না করায় স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় বাণিজ্য অনেক কমে গেছে। স্বাভাবিক সময়ে প্রতিদিন ভারত থেকে প্রায় ৫৫০ ট্রাক পণ্য আমদানি এবং ২৫০ থেকে ৩০০ ট্রাক পণ্য রপ্তানি হতো। এখন তা নেমে এসেছে ২৫০ ট্রাক ও রপ্তানি ১০০ ট্রাকের নিচে। সোমবার (১৮ আগস্ট) আমদানি হয়েছে ২৯১ ট্রাক ও রপ্তানি হয়েছে ৫০ ট্রাক পণ্য। এইচএ

Source: সময়ের কন্ঠস্বর

সম্পর্কিত সংবাদ
মাদারীপুরে ‘শিরক আখ্যা’ দিয়ে শতবর্ষী বটগাছ কর্তন
মাদারীপুরে ‘শিরক আখ্যা’ দিয়ে শতবর্ষী বটগাছ কর্তন

মাদারীপুরে শিরক আখ্যা দিয়ে শতবর্ষী একটি বটগাছ কেটে ফেলার হয়েছে। গাছটির ডাল-পালা থেকে শুরু করে বেশিরভাগ অংশ কাটা শেষ হয়ে Read more

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর পদত্যাগের বিষয়টি সঠিক নয়: এনসিপি
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর পদত্যাগের বিষয়টি সঠিক নয়: এনসিপি

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর পদত্যাগ কিংবা দল থেকে অব্যাহতি নেওয়ার বিষয়টি সঠিক নয় বলে জানিয়েছে দলটি।বৃহস্পতিবার Read more

খুলনার উপকূলীয় এলাকায় মিঠা পানির ‘খনির’ সন্ধান
খুলনার উপকূলীয় এলাকায় মিঠা পানির ‘খনির’ সন্ধান

বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম জনবহুল দেশ। প্রচুর নদ-নদী আর বৃষ্টির দেশ হওয়া সত্ত্বেও বিশেষ করে উপকূলীয় অঞ্চলে সুপেয় পানির তীব্র সংকট Read more

‘ধবলধোলাই’ এড়াতে বাংলাদেশের একাদশে চার পরিবর্তন
‘ধবলধোলাই’ এড়াতে বাংলাদেশের একাদশে চার পরিবর্তন

স্বাগতিক বাংলাদেশ ও সফরকারী ওয়েস্ট ইন্ডিজের মধ্যকার তিন ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচ মাঠে গড়িয়েছে। এই ম্যাচে টস Read more

ইমোতে পরিচয় বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ, গ্রেফতার করেছে র‍্যাব ১৪
ইমোতে পরিচয় বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ, গ্রেফতার করেছে র‍্যাব ১৪

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে ধর্ষণের চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। অভিযুক্ত ধর্ষণকারী রবিন উপজেলার কালিকাপ্রসাদ ইউনিয়নের ঝগড়ারচর গ্রামের হযরত আলীর ছেলে। গতকাল রাত আনুমানিক Read more

ছাত্র-জনতার বিদ্রোহে জ্বলছে নেপাল, নিহত বেড়ে ৮
ছাত্র-জনতার বিদ্রোহে জ্বলছে নেপাল, নিহত বেড়ে ৮

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা ও দুর্নীতির প্রতিবাদে তীব্র বিক্ষোভ শুরু হয়েছে নেপালে। বিক্ষোভ দমন করতে রাজধানী কাঠমান্ডুতে সেনাবাহিনী মোতায়েন করেছে Read more

আমরা নিরপেক্ষ নই ,    জনতার পক্ষে - অন্যায়ের বিপক্ষে ।    গণমাধ্যমের এ সংগ্রামে -    প্রকাশ্যে বলি ও লিখি ।   

NewsClub.in আমাদের ভারতীয় সহযোগী মাধ্যমটি দেখুন