পটুয়াখালীর কুয়াকাটা-সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে মো. আল-আমীন খানের জালে ২১ কেজি ৮০০ গ্রাম ওজনের বিশাল এক সামুদ্রিক কোরাল ধরা পড়েছে। মাছটি কুয়াকাটা মাছ বাজারে নিয়ে আসলে খোলা ডাকের মাধ্যমে প্রতি কেজি ১,৬০০ টাকায় বিক্রি হয়, যার মোট দাম দাঁড়ায় ৩৪,৮৮০ টাকা।এ সময় কুয়াকাটায় মাছটি দেখতে অনেক পর্যটকসহ স্থানীয়রা ভীর জমায়। মৎস্য ব্যবসায়ীরা বলেন, কুয়াকাটায় এত বড় মাছ সাধারণত খুব কমই পাওয়া যায়।শনিবার (১৬ আগস্ট) সকালে কুয়াকাটা মাছ বাজারের খান ফিশের আড়ৎদার মো. খলিল হাওলাদার মাছটি ক্রয় করেন। জেলে মো. আল-আমীন খান বলেন, ‘আমরা সমুদ্র থেকে মাছ শিকার করে ফিরছিলাম। কুয়াকাটা-সংলগ্ন লেম্বুর বন এলাকার মোহনায় একটি বড় মাছ সাতার কাটতে দেখলে আমরা সমুদ্রে নেমে মাছটির কাছে গিয়ে ধরে ফেলি। পরে নৌকায় ওঠানোর সময় মাছটি মারা যায়।’কুয়াকাটা মাছ বাজারের আড়ৎদার মো. আলমগীর খান বলেন, ‘কুয়াকাটায় যে মাছগুলো বিক্রি হয় তা ছোট নৌকা থেকে ধরা হয়। ছোট নৌকায় এত বড় মাছ ধরা সাধারণত কমই হয়। এই ধরনের মাছ মূলত গভীর সমুদ্রের ট্রলার থেকে পাওয়া যায়। তবে অসুস্থ হওয়ায় জেলেরা মাছটি ধরতে পেরেছে। জেলেরা ডাকে বিক্রি করে ভালো দাম পেয়েছে।’মাছটির ক্রেতা মো. খলিল হাওলাদার বলেন, ‘এতো বড় মাছ কুয়াকাটা বাজারে খুব কমই পাওয়া যায়। মাছটি তাজা হওয়ায় আশা করছি ভালো দামে বিক্রি করতে পারবো। জেলেরা খুশি।’কলাপাড়া উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা বলেন, ‘এটি নিষেধাজ্ঞার পর ধরা মাছ। ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষ হওয়ার পর জেলেরা সমুদ্রে মাছ শিকার করতে নেমেছে। সঠিকভাবে নিষেধাজ্ঞা মেনে চলার কারণে বড় মাছ ধরা পড়েছে। আশা করছি সামনের দিনগুলোতে কোরালসহ ইলিশ ও অন্যান্য সামুদ্রিক মাছও জেলেদের জালে ধরা পড়বে।’ এনআই
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
