পটুয়াখালী-কুয়াকাটা মহাসড়কের বেহাল দশা নিয়ে সময়ের কণ্ঠস্বরে সংবাদ প্রকাশের পর সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগ দ্রুত তৎপর হয়েছে। মহাসড়কের আমতলীসহ বিভিন্ন স্থানে চলাচলরত যানবাহনের জন্য চরম দুর্ভোগের খবর প্রকাশিত হওয়ার পরপরই সড়ক সংস্কারে মাঠে নামে সওজ-এর মোবাইল টিম।এর আগে (২৭ জুলাই) সময়ের কণ্ঠস্বরে শিরোনাম ছিল, ‘পটুয়াখালী-কুয়াকাটা মহাসড়ক খানাখন্দে ভরা, দুর্ভোগে ১০ লাখ মানুষ’। এতে সরেজমিন চিত্র তুলে ধরে জানানো হয়েছিল, বরগুনার আমতলী, শাখারিয়া, চুনাখালী, সাহেববাড়ি, পাটুখালী, বান্দ্রা ও পখিয়াসহ একাধিক স্থানে রাস্তার পিচ উঠে গিয়ে সৃষ্টি হয়েছে অসংখ্য গর্ত, যার ফলে বাড়ছিল দুর্ঘটনার ঝুঁকি ও যাত্রী দুর্ভোগ।সংবাদ প্রকাশের ৭২ ঘণ্টার মধ্যেই মহাসড়কের বিভিন্ন অংশে অস্থায়ী সংস্কার কাজ শুরু করে সওজ-এর মোবাইল টিম। কাজের মধ্যে রয়েছে গর্তে খোয়া ও বালু ভরাট, কিছু জায়গায় বিটুমিন দিয়ে পিচ ঢালাই, এবং যান চলাচলের জন্য অন্তত সাময়িকভাবে রাস্তা মসৃণ করা।বরগুনা সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী কমারেশ বিশ্বাস সময়ের কণ্ঠস্বরকে বলেন, ‘প্রতিবেদনের পর আমাদের নজরে আসলে আমরা দ্রুত রাস্তায় মোবাইল টিম পাঠাই। বৃষ্টির মধ্যে কাজ কিছুটা ব্যাহত হচ্ছে, তবে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি যেন মানুষ কিছুটা হলেও স্বস্তি পায়।’এদিকে যানবাহন চালক ও যাত্রীরা জানান, সময়ের কণ্ঠস্বরের সংবাদে বিষয়টি উঠে আসায় প্রশাসন দ্রুত ব্যবস্থা নিয়েছে–এটা স্বস্তিদায়ক। আমতলী চৌরাস্তার বাস চালক কেরামত আলী বলেন, ‘রাস্তার খানাখন্দে আগে স্টিয়ারিং সামলানোই যেত না। এখন কিছুটা উন্নতি হয়েছে, আশা করছি পুরো সড়ক দ্রুত সংস্কার করা হবে।’লাইনম্যান নাহিদুর রহমান নান্নু সময়ের কণ্ঠস্বরকে বলেন, ‘প্রতিবেদনের পর আরও জোরালো হয়েছে, দ্রুত উদ্যোগ নেওয়ায় আমরা কৃতজ্ঞ। তবে শুধু অস্থায়ী নয়, টেকসই সংস্কার চাই আমরা।’সংশ্লিষ্ট মহলের দাবি, শুধু মোবাইল টিম দিয়ে গর্ত ভরাট নয়, আগামী অর্থবছরের বরাদ্দ থেকেই পুরো মহাসড়কের টেকসই সংস্কার যেন নিশ্চিত করা হয়। এটি না হলে কুয়াকাটার পর্যটন খাতসহ দক্ষিণাঞ্চলের লাখো মানুষের জীবনযাত্রা চরমভাবে ব্যাহত হবে বলে মনে করছেন সচেতন নাগরিকরা।এসআর
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
