রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলায় তারাগঞ্জ বাজারের গরু হাঁটি থেকে ঢুলিয়ার মোড় যাওয়ার রাস্তার পাশে পুরাতন বিএস কোয়াটারের সামনের রাস্তাটিতে আবর্জনার স্তূপ রয়েছে। বর্ষা মৌসুমে আবর্জনাগুলো পঁচে গিয়ে দূষিত গন্ধের সৃষ্টি হয়েছে। এরফলে এই রাস্তা দিয়ে হেঁটে চলা পথচারীদের নাক-মুখ ঢেকে ধরে চলতে হচ্ছে। এই রাস্তাটি বাজারের ব্যস্ততম সড়কগুলোর মধ্যে অন্যতম। প্রতিদিন এই রাস্তা দিয়ে হাজারও সাধারণ পথচারীসহ স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীরাও হেঁটে যায়। আবর্জনার পঁচা দূষিত গন্ধের ফলে স্বাস্থ্যঝুঁকিতে রয়েছে পথচারীরা।শুক্রবার ও সোমবার সপ্তাহে ২ দিন তারাগঞ্জে হাটবার। এ রাস্তাটির পাশেই বসে গরুর হাট। গরু হাটের ময়লা আবর্জনাসহ বাজারের ময়লা আবর্জনা ফেলার কারণে এখানে আবর্জনার স্তূপ তৈরি হয়েছে। দীর্ঘ দিন ধরে এভাবে আবর্জনার স্তূপ থাকলেও তা সরানোর কোনো উদ্যোগ নেয়নি কর্তৃপক্ষ।তারাগঞ্জ বাজারের ব্যবসায়ী সেতু মিয়া বলেন, ‘কি খারাপ অবস্থা হয়ে পড়েছে তা দেখার যেন কেউ নেই। আমরা নাক-মুখ চেপে ধরে এ রাস্তাটি চলাচল করি। অনেক দিন হলো এভাবে পুরাতন বিএস কোয়াটারের সামনের রাস্তাটিতে পঁচা আবর্জনার স্তূপ হয়ে থাকলেও তা পরিষ্কারের কোনো উদ্যোগ নেয়নি কর্তৃপক্ষ। এরফলে আমরা স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে রয়েছি। দ্রুত এর পরিষ্কার হোক এটাই চাই।’তারাগঞ্জ বাজারের ভ্যান চালক অহিদুল ইসলাম বলেন, ‘কি করার? এই রাস্তা দিয়ে ভ্যান চালাই নাক-মুখ চেপে ধরে। কেউ পরিষ্কার করে না। অনেক দিন হলো এভাবে পড়ে আছে।’তারাগঞ্জ ও/এ সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী লাওহে মাহফুজ বলেন, ‘এইসব পঁচা আবর্জনা দুর্গন্ধযুক্ত রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন স্কুলে আসি। কত দিন হলো কেউ পরিষ্কার করে না। এখন বর্ষার সময় আবর্জনাগুলো রাস্তার উপরে ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে আছে। এরফলে দুর্গন্ধ সহ্য করে নাক-মুখ চেপে ধরে স্কুলে যাই।’তারাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) রুবেল রানা বলেন, ‘বাজার পরিষ্কারের জন্য হাট ইজারাদারকে বলা হয়েছে। পরিত্যক্ত বিএস কোয়াটারের স্থায়ী সমাধানের জন্য উপজেলা কৃষি কর্মকর্তাকে বলা হয়েছে।’এসআর
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
