কিশোরগঞ্জের ভৈরবে বেড়ে যাওয়া ছিনতাই বন্ধের প্রতিবাদে ছাত্র ও যুব সমাজের বিক্ষোভ ও শাড়ি-চুড়ি নিয়ে থানা ঘেরাও করার পর দ্বিতীয় দিনে ৮ জন ছিনতাইকারী গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ।সোমবার (৪ আগস্ট) ভৈরবে বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এর আগে ৩ আগস্ট ২৩ জনকে গ্রেফতার করে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ভৈরব থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) খন্দকার ফুয়াদ রুহানি।অভিযানে গ্রেফতারকৃতরা হলো আবুল কাসেম উরফে হাসু (৪৫), শামীম মিয়া (২৯), সোহরাফ হোসেন ওরফে আবুইল্লাহ (২৮), খোরশেদ আলম (৪০), মামুন (২৬), সোলামান মিয়া (৩৫), রাশেদ মিয়া (২৮), আরিফুল ইসলাম (২৮)।জানা যায়, ভৈরবে ব্যাপক হারে চুরি ও ছিনতাই বেড়ে যাওয়ায় ভৈরববাসীর মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ২ আগস্ট শনিবার শহরের স্থানীয় জনতা ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক ভৈরব বাসস্ট্যান্ড দুর্জয় মোড় এলাকায় বিক্ষোভ সমাবেশ করেন। সমাবেশ শেষে ভৈরব থানা পুলিশের জন্য থানায় শাড়ি ও চুড়ি নিয়ে হাজির হয় বিক্ষুব্ধরা। স্থানীয় জনতা ৩ দিনের আল্টিমেটাম দিলে পরে থানা পুলিশ ছিনতাই প্রতিরোধে আশ্বস্ত করে স্থানীয় জনতাকে থানা থেকে বিদায় করেন।এ বিষয়ে ভৈরব থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) খন্দকার ফুয়াদ রুহানি বলেন, ‘ভৈরবে চুরি ও ছিনতাই বেড়েছে’ তা অস্বীকার করার সুযোগ নেই। কিন্তু ভৈরব থানা পুলিশ প্রতিদিন কোন না কোন চোর ও ছিনতাইকারীকে গ্রেপ্তার করছে। তবে তারা বেশি দিন কারাগারে থাকে না। সহজেই জামিনে বেরিয়ে আসে।৩ আগস্ট রোববার রাতভর বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে বিভিন্ন মামলার ২৩ জন ও আজ ৮ জন ছিনতাইকারীসহ দুইদিনে ৩১ জন ছিনতাইকারী গ্রেফতার করা হয়েছে। এদের মধ্যে ৫ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামি ও চিহ্নিত ছিনতাইকারী রয়েছে। ২ আগস্ট শনিবার স্টেশন এলাকায় ছিনতাইয়ের ঘটনায় ১ জন ছিনতাইকারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আজ দুপুরে আদালতের মাধ্যমে আটককৃত ছিনতাইকারীদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে। নিয়মিত এ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।এসআর
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
