অনেকটা তাড়াহুড়ো করেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার তারকা ব্যাটার এবি ডি ভিলিয়ার্স। তবে ব্যাট-প্যাড ছাড়ার পর ৪ বছর পরও যেন একই আছেন এই মারকুটে ব্যাটার। এখনও ব্যাট হাতে নামলে চার-ছক্কার ঝড় তোলেন তিনি। শনিবার (২ আগস্ট) এজবাস্টনে ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়নশিপ অব লিজেন্ডসের ফাইনালে পাকিস্তানকে ৯ উইকেটে হারিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। যেখানে মাত্র ৬০ বলে ১২০ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেছেন এবি ডি ভিলিয়ার্স। পুরো ইনিংসে তিনি ছক্কা হাঁকিয়েছেন ৭টি, সাথে চার ১২টি। এটি অবশ্য এই টুর্নামেন্টে তার তৃতীয় সেঞ্চুরি। আগের দুটি করেছিলেন অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ডের বিপক্ষে। সেঞ্চুরির হ্যাটট্রিকের সুবাদে শুধু দলকেই জেতাননি, একের পর এক ব্যক্তিগত পুরস্কারও উঠেছে তাঁর হাতে।এদিন ফাইনালে প্রথমে ব্যাট করে পাকিস্তান মন্দ করেনি। নির্ধারিত ওভার শেষে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৯৫ রানের বড় সংগ্রহ পায় তারা। শারজিল খান ৪৪ বলে ৭৬, উমর আমিন ৩৬, আসিফ আলী ২৮ ও শোয়েব মালিক যোগ করেন ২০ রান।তবে লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে দক্ষিণ আফ্রিকা চ্যাম্পিয়নসকে থামানো যায়নি। হাশিম আমলা দ্রুত ফিরে গেলেও এরপর বাকি কাজটা সারলেন ডি ভিলিয়ার্স ও জেপি ডুমিনি। দ্বিতীয় উইকেটে ১২৫ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে জয় আসে ১৯ বল হাতে রেখে। ইনিংসের মাঝপথে হ্যামস্ট্রিংয়ে টান ধরলেও থামেননি ‘মি. ৩৬০’।ম্যাচ শেষে সেরা খেলোয়াড় তো হয়েছেই, তার সঙ্গে জিতেছেন ‘মাস্টার ব্লাস্টার অব দ্য ম্যাচ’, ‘মোস্ট ভ্যালুয়েবল প্লেয়ার’ এবং ‘গেম চেঞ্জার অব দ্য ম্যাচ’ পুরস্কার। চারটি পুরস্কার, এক ম্যাচে—এ যেন ক্রিকেট-সিনেমার নায়কোচিত সমাপ্তি!শুধু এক পুরস্কারই হাতছাড়া হয়েছে তাঁর, সেটা ফ্যান ফ্যাবারিট লিজেন্ড—যেটি পেয়েছেন পাকিস্তানের শারজিল খান।পুরো টুর্নামেন্টে ডি ভিলিয়ার্স করেছেন সর্বোচ্চ ৪৩১ রান। আর তাই স্বাভাবিকভাবেই হয়েছেন টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড়ও হয়েছেন তিনি।আরডি
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
