ভোলার তজুমদ্দিনে নিখোঁজের ৩ দিন পর পুকুর থেকে এক বাকপ্রতিবন্ধীর ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। লাশের শরীরের বুকে ও ডান হাতে আচরের চিহ্ন রয়েছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ভোলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।শুক্রবার (১ আগস্ট) সকালে উপজেলার শুম্ভুপুর ইউনিয়নের চর লামছি গ্রামের নজুমদ্দিন রারি বাড়ির পুকুর থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।নিহত কবির হোসেন (৩৫) ওই বাড়ির মৃত আ. মালেক মিয়ার ছেলে। তিনি ৪ সন্তানের জনক এবং পেশায় একজন কৃষক ছিলেন।এর আগে, গেল মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর বাজারের উদ্দেশ্যে বের হয়ে নিখোঁজ হন কবির। এরপর পরিবারের সদস্যরা তাকে বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেন। কোথাও খুঁজে না পেয়ে থানায় জিডি করার প্রস্তুতি নিলে সকালে তার লাশ পাওয়া যায়।কবিরের ছোট বোন ও খালাতো ভাই মিলন খন্দকার সময়ের কন্ঠস্বরকে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে কবিরের চাচা খালেক মিয়ার সঙ্গে জমি জমা নিয়ে বিরোধ চলছে। বিরোধের জেরে সবশেষ গেল সোমবার তাদের মধ্যে ঝগড়া হয়। ঝগড়াকালে তার চাচা ও চাচাতো ভাইরা তাকে প্রাণনাশের হুমকি প্রদান করেন। এর একদিন পর, অর্থাৎ মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর থেকে নিখোঁজ হন কবির।তারা আরও বলেন, যেহেতু আগের দিন চাচা প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছেন, সেহেতু চাচা ও চাচাতো ভাইরা আমাদের ভাইকে পরিকল্পিত হত্যা করেছেন। আমরা এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে উপযুক্ত বিচার দাবি করছি।কবিরের চাচাতো ভাই রিয়াজ বলেন, কবিরের সাথে অন্য কারো বিরোধ ছিল না। তিনি কৃষি কাজ করতেন এবং অনেক পরিশ্রমী মানুষ ছিলেন। তিনি সাঁতার জানতেন।তজুমদ্দিন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মহব্বত খান জানান, লাশের বুকে ও ডান হাতে আচরের চিহ্ন আছে। লাশের শরীরে পচন ধরে ফুলে যাওয়ায় আচরের ক্ষতের পরিমাণ বুঝা যাচ্ছে না। পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ রয়েছে। তাদের থানায় আসতে বলা হয়েছে। ঘটনাটি শুনে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।এইচএ
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
