আগামী বছরের মার্চে অস্ট্রেলিয়ায় বসছে নারী এশিয়া কাপের আসর। যেখানে প্রথমবারের মতো সুযোগ পেয়েছে বাংলাদেশ। ১২ দলের এই টুর্নামেন্টের ড্র অনুষ্ঠিত হবে আজ । কিন্তু ঐতিহাসিক এই সুযোগের মুহূর্তেও ড্র অনুষ্ঠানে নেই বাংলাদেশের কোনো প্রতিনিধি।আজ মঙ্গলবার (২৯ জুলাই) সিডনির হারবারে অনুষ্ঠিত হবে এই টুর্নামেন্টের ড্র। স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭টায় অনুষ্ঠিত হবে জমকালো এই আয়োজন। আয়োজক অস্ট্রেলিয়া ও এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন (এএফসি) প্রতিটি দলের কোচ ও অধিনায়ককে আমন্ত্রণ জানিয়েছিল। সেখানেই অনুপস্থিত বাংলাদেশ।এই অনুপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে দেশের ফুটবল অঙ্গনে। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজের পরিচিতি ও উপস্থিতি জানান দেওয়ার একটি বড় মঞ্চ তৈরি হয়েছে বাংলাদেশের জন্য। কিন্তু বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) পক্ষ থেকে সেই সুযোগ যথাযথভাবে কাজে না লাগানোয় সমালোচনাও হচ্ছে।ড্র অনুষ্ঠানের আগের দিন ট্রফির সঙ্গে ফটোসেশনে অনুষ্ঠিত হয়। যেখানে অংশ নেয় অস্ট্রেলিয়া, চীন, ভারত, দক্ষিণ কোরিয়া, তাইওয়ান, উজবেকিস্তান ও ভিয়েতনাম। বাংলাদেশ ছাড়াও অনুপস্থিত ছিল জাপান, ইরান, ফিলিপাইন ও উত্তর কোরিয়া।বাফুফের নারী উইংয়ের প্রধান মাহফুজা আক্তার কিরণের কাছে যখন ড্র অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের প্রতিনিধি না থাকা নিয়ে জানতে চাওয়া হলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে বলেন, ‘এই বিষয়ে আমি কিছু বলব না। সভাপতির সঙ্গে কথা বলুন।’অথচ নারী ফুটবলের কার্যক্রমে মূল নেতৃত্বে তিনিই থাকেন। তাই এমন দায় এড়িয়ে যাওয়ার প্রবণতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।অবশ্য, অধিনায়ক আফিদা খন্দকার ও কোচ পিটার বাটলার দুজনই বর্তমানে ব্যস্ত রয়েছেন এএফসি অনূর্ধ্ব-২০ নারী টুর্নামেন্ট নিয়ে। এমন পরিস্থিতিতে ভ্রমণে অন্তত তিন দিন সময় নষ্ট হতো, যা প্রস্তুতিতে প্রভাব ফেলতে পারত। তবে অনেক দেশই এ অবস্থায় বিকল্প প্রতিনিধি পাঠিয়েছে। এশিয়া কাপের ড্র’তে বাংলাদেশ চার নম্বর পটে রয়েছে। একট পটে আছে ভারত ও ইরান। এর মানে ভারত ও ইরানের সঙ্গে একই গ্রুপে পড়ার সম্ভাবনা নেই। তবে প্রথম পটে থাকা অস্ট্রেলিয়া, জাপান ও উত্তর কোরিয়ার যে কোনো একটি দলের মুখোমুখি হতে হবে। দ্বিতীয় পটে আছে চীন, দক্ষিণ কোরিয়া ও ভিয়েতনাম। ভাগ্য ভালো হলে ভিয়েতনামের গ্রুপে পড়তে পারে বাংলাদেশ। তবে বাংলাদেশের জন্য চ্যালেঞ্জ হতে পারে তৃতীয় পট। কেননা, এই পটে আছে, ফিলিপাইন, চাইনিজ তাইপে ও উজবেকিস্তানের মতো দল। এই পটের যে কোনো দলের সাথে পড়লেও বাংলাদেশকে জিততে হবে। কারণ তিন গ্রুপের তৃতীয় স্থানে থাকা তিন দলের মধ্যে দুইয়ে থাকতে পারলেও কোয়ার্টার ফাইনাল খেলা যাবে।আর কোয়ার্টারে উঠলে ২০২৭ সালের ব্রাজিল বিশ্বকাপ ও ২০২৮ সালের লস অ্যাঞ্জেলস অলিম্পিকে নারী ফুটবলে খেলার সম্ভাবনা তৈরি হবে। আরডি
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
