বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপের প্রভাবে ভোলায় বৈরী আবহাওয়া বিরাজ করছে। সাথে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি ও দমকা বাতাস বইছে। এছাড়াও উত্তাল রয়েছে মেঘনা নদী।শুক্রবার (২৫ জুলাই) সকাল থেকেই ভোলার ১০টি নৌ-রুটে লঞ্চ ও ফেরী চলাচল বন্ধ ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) এবং বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি)।পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ভোলার ইলিশা-লক্ষ্মীপুর, দৌলতখান-আলেকজান্ডার, তজুমদ্দিন-মনপুরা, মনপুরা-ঢাকা, হাতিয়া-ঢাকা, চরফ্যাশন-ঢাকাসহ অভ্যন্তরীণ ১০টি রুটে যাত্রীবাহী লঞ্চ চলাচল বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।এদিকে লঞ্চ ও ফেরী চলাচল বন্ধ থাকায় চরম ভোগান্তিতে পরেছেন এসব নৌ-রুটে চলাচলকারী যাত্রী ও পণ্যবাহী ট্রাক চালকরা। ছুটিতে বাড়িতে এসে কর্মস্থলে ফিরতে ভোলার ইলিশা লঞ্চঘাটে বেশকিছু যাত্রী অপেক্ষায় আছেন। তারা নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে যাবেন বলে জানা গেছে।বেশ কয়েকজন যাত্রী জানান, বৈরী আবহাওয়ার জন্য লঞ্চ বন্ধ থাকায় তারা কর্মস্থলে ফিরতে পারছেন না। ঘাটে এসে জানতে পারেন দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে লঞ্চ ও ফেরী চলাচল বন্ধ রয়েছে। ছুটি শেষে কর্মস্থলে ফিরতে তারা এখন দুশ্চিন্তায় আছেন। আবার কেউ কেউ ২ থেকে ৩ ঘণ্টা অপেক্ষা করে বাড়িতে ফিরে গিয়েছেন।বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) ভোলা নদী বন্দরের পরিবহন পরিদর্শক মো. জসিম উদ্দিন জানান, বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপের প্রভাবে সমুদ্র বন্দরে ৩ নম্বর ও নদী বন্দরে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত চলছে। যার ফলে মেঘনা নদী বেশ উত্তাল রয়েছে। তাই ভোলার অভ্যন্তরীণ ১০টি রুটে যাত্রীবাহী লঞ্চ চলাচল বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ওইসব রুটগুলোতে লঞ্চ চলাচল বন্ধ থাকবে।অপরদিকে সকাল থেকে ভোলা-লক্ষ্মীপুর নৌরুটে ফেরি চলাচলও বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।এসআর
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
