দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার মেঘনা ও মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া সীমান্তবর্তী আড়ালিয়া নদীতে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে একটি জলদস্যু চক্র। গজারিয়ার চান বাদশা ও ইব্রাহিমের নেতৃত্বে সংঘবদ্ধ এ সন্ত্রাসী দলটি বাল্কহেড ও ছোট ছোট নৌযান থেকে অস্ত্রের মুখে ভয় দেখিয়ে, মারধর করে নিয়মিত চাঁদা আদায় করে আসছিল।সোমবার (২১ জুলাই) বিকেল ৩টার দিকে সিলেট থেকে দাউদকান্দি যাওয়ার পথে আড়ালিয়া ঘাটের প্রায় ৫০০ গজ দক্ষিণে এমবি অনাবিল নামের একটি বাল্কহেড থেকে চাঁদা আদায়ের সময় চালিভাঙ্গা নৌপুলিশ ও স্থানীয় জনতার সহায়তায় গ্রেপ্তার হয় চান বাদশা গ্রুপের অন্যতম সদস্য শাকিল। এ সময় তার কাছ থেকে আদায়কৃত চাঁদার ১ হাজার ৮৫০ টাকা ও একটি ধারালো রামদা জব্দ করা হয়। পরে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে শাকিলের অন্যান্য সহযোগীরা একটি ট্রলার নিয়ে পালিয়ে যায়। শাকিল মুন্সিগঞ্জ জেলার গজারিয়া থানার আড়ালিয়া গ্রামের ওহাব মিয়ার ছেলে। বিষয়টি মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে চালিভাঙ্গা নৌপুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. আজমগীর হোসাইন নিশ্চিত করেছেন।ঘটনার বিষয়ে ইনচার্জ মো. আজমগীর হোসাইন বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে এ চক্রটি নদীতে ত্রাস সৃষ্টি করে আসছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আমরা অভিযানে যাই এবং স্থানীয়দের সহায়তায় একজনকে আটক করতে সক্ষম হই। বাকিরা পালিয়ে গেছে, তবে তাদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। জলপথে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।’ তিনি আরও জানান, গ্রেপ্তার শাকিলের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করে আজই তাকে জেলহাজতে পাঠানো হবে।এআই
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
