কক্সবাজার টেকনাফের সেন্টমার্টিন সংলগ্ন গভীর সাগর থেকে বিপুল পরিমাণ ইয়াবাসহ দুটি ফিশিং ট্রলার জব্দ করেছে কোস্টগার্ড। এসময় মাদক পাচারে জড়িত ১৭ জন মাঝিমাল্লাকেও গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় অভিযানিক দল। শুক্রবার (১৮ জুলাই) সন্ধ্যার দিকে এ অভিযানের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন কোস্টগার্ড মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার হারুন-অর-রশীদ। তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে, টেকনাফ শাহপরীরদ্বীপ ও সেন্টমার্টিনে কর্মরত কোস্টগার্ডের অভিযানিক দুটি দল শুক্রবার দিবাগত মধ্যরাত ১টার দিকে সেন্টমার্টিন সংলগ্ন গভীর সমুদ্র এলাকায় অভিযানে যায়। উক্ত অভিযান চলাকালীন সময়ে ইঞ্জিন চালিত দুটি ফিশিং ট্রলার নজরে পড়লে এবং ট্রলার দুটির গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হলে অভিযানিক দলের সদস্যরা ট্রলারগুলোকে থামানোর সংকেত দেয়। তবে মাদক পাচারকারী চক্রের সদস্যরা কোস্টগার্ডের উপস্থিতি বুঝতে পেরে দ্রুত গতিতে গভীর সাগরের দিকে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে অভিযানিক দলের সদস্যরা ট্রলার দুটিকে ধাওয়া করে মাছ শিকারের আড়ালে মাদক পাচারে জড়িত ১৭ জন মাঝিমাল্লাকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। জব্দকৃত দুটি ট্রলার থেকে ১ লাখ ৪০ হাজার ইয়াবা, ৪০ প্যাকেট সিগারেট উদ্ধার করা হয়। ধৃত ১৭ পাচারকারী হচ্ছে: মো. আয়াস (২৫), রকিমুল্লাহ (২৫), নিয়ামত উল্লাহ (৩৫), মো. সাদেক (২৭), মো. আব্দুর রহমান (২৬), মো. নুর রশিদ (৩৫), রহিমউল্লাহ (৮৫), মো. আব্দুল্লাহ (২১), মো. আয়াস (২৩), মো. আইয়ুব (২০), আরাফাত (২০), মো. ইদ্রিস (৫৪), মো. সাবের আলী (৬৮), মো. আরকানুল ইসলাম (২৩), আবু বক্কর (৩৮), মো. হারুন অর রশিদ (৪০), মো. বেলাল (৪৮)। এর মধ্যে ১১ জন টেকনাফের বাসিন্দা, ৩ জন কক্সবাজারের বাসিন্দা, ২ জন চট্টগ্রামের বাসিন্দা, ১ জন নোয়াখালীর বাসিন্দা। উদ্ধারকৃত মাদকের মূল্য ৭ কোটি ২ হাজার টাকা হবে বলে জানান। গ্রেফতার হওয়া ১৭ জন মাদক পাচারকারীর বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা দায়ের করার জন্য টেকনাফ থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করার প্রক্রিয়া চলছে বলেও জানান কোস্টগার্ডের এই কর্মকর্তা। এফএস
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
