হঠাৎ এক ঝটিকা সফরে কক্সবাজারের টেকনাফ মডেল থানা পরিদর্শন করতে এসেছেন বাংলাদেশ পুলিশ চট্টগ্রাম রেঞ্জের প্রধান ডিআইজি মো: আহসান হাবীব পলাশ।মঙ্গলবার (১৫ জুলাই) বিকেলে টেকনাফ মডেল থানা পরিদর্শন শেষে উপস্থিত গণমাধ্যম কর্মীদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘মিয়ানমার থেকে পাচার হয়ে আসা মাদকের ভয়াল আগ্রাসন বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ করে মাদক পাচার প্রতিরোধে কঠোর অভিযানে যাবে সরকার।’সেই লক্ষ্যে একটি বড় পরিকল্পনা হাতে নিচ্ছে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনী। এ নিয়ে সততার সহিত কাজ করার জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনীতে নিয়োজিত স্ব-স্ব দপ্তরের সদস্যদের তাগিদ দিচ্ছে সরকার।অত্র উপজেলার একটি বড় জনগোষ্ঠী মাদকের সাথে সক্রিয়ভাবে জড়িত রয়েছে। তারা এটাকে জীবিকা হিসেবে নিয়েছে। মাদক কোন ব্যক্তির জীবিকা হতে পারে না। তাই আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি সরকারের নির্দেশনা মোতাবেক, সে যেই হোক, মাদকের সাথে সংশ্লিষ্টতা পেলে তাকে শাস্তির আওতায় আসতে হবে। পাশাপাশি মাদকের সাথে পুলিশের সদস্যরা যদি জড়িত থাকে, তাদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।তিনি আরো বলেন, ‘৫ আগস্টের পর থেকে যে সমস্ত অসাধু ব্যক্তিরা চাঁদাবাজিতে জড়িয়ে পড়েছে, তাদের বিরুদ্ধেও খুব শীঘ্রই অ্যাকশনে যাবে পুলিশ।’টেকনাফে পাহাড় কেন্দ্রীক লুকিয়ে থাকা অপহরণে জড়িত অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের দমন করতে হলে যৌথ অভিযান পরিচালনা করতে হবে বলেও জানান তিনি।এসময় উপস্থিত ছিলেন, টেকনাফ উপজেলায় দায়িত্বরত ১৬ এপিবিএনের অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি মুহাম্মদ কাউছার সিকদার, কক্সবাজার জেলা পুলিশ সুপার সাইফউদ্দীন শাহীন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ট্রাফিক) মোঃ জসিম উদ্দীন চৌধুরী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আহমেদ পেয়ার এবং টেকনাফ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন, তদন্ত হিমেল রায়, অপারেশন কামাল হোসেন প্রমুখ।পরিদর্শনকালীন সময়ের মধ্যে থানা প্রাঙ্গণে বেশ কয়েকটি বৃক্ষ রোপণ করেন ডিআইজি। পাশাপাশি বাংলাদেশ পুলিশ নারী কল্যাণ সমিতি (পুনাক) এর পক্ষ থেকে, জেলা পুলিশ নারী কল্যাণ সমিতির আয়োজনে টেকনাফের ২৭ জন পথ শিশুর মাঝে শিক্ষা সামগ্রী, বস্ত্র ও নগদ টাকা তুলে দেন উক্ত সংগঠনের বিভাগীয় প্রধান অতিথি ডিআইজির সহধর্মিণী শারমীন সিদ্দিকা। সভাপতি জেলা পুলিশ সুপারের সহধর্মিণী আয়েশা সিদ্দিকা।এনআই
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
