দুই একটি নয়, একদিনেই ৯০ হাজার গাছের চারা ধ্বংস করলেন কৃষি কর্মকর্তা। দিলেন ক্ষতিপূরণও। যেখানে প্রতিবছর হাজার হাজার গাছ রোপণ কার্যক্রম করেন কৃষি কর্মকর্তা, সেখানে কৃষি কর্মকর্তার মাধ্যমে প্রায় ৯০ হাজার গাছ ধ্বংস করা হয়েছে। এমন খবরটি শুনলে যেকোনো কেউ চমকে উঠবে যেকোনো সময়। কিন্তু না, ৯০ হাজার গাছ ধ্বংস করার ঘটনা সত্য। কারণ এই গাছগুলো পরিবেশবান্ধব নয়। পরিবেশের ক্ষতি করে এই গাছগুলো। গাছগুলো হল ইউক্যালিপটাস ও আকাশমনি গাছ।পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের বন-১ অধিশাখা থেকে গত ১৫ মে আগ্রাসী প্রজাতির ইউক্যালিপটাস ও আকাশমনি গাছের চারা রোপণ, উত্তোলন ও বিক্রয় নিষিদ্ধ করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। এরই প্রেক্ষিতে দেশব্যাপী আকাশমনি ও ইউক্যালিপটাস চারা উৎপাদনকারী বেসরকারি ব্যক্তি মালিকানাধীন নার্সারি মালিকদের ক্ষতিপূরণ সহায়তা পুনর্বাসন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। এর আওতায় সোমবার সকালে উপজেলা জুড়ে নার্সারিগুলোতে কৃষি কর্মকর্তা মোঃ হাবিবুল্লাহ নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে ক্ষতিকর এই গাছ ধ্বংস করা হয়।সীতাকুণ্ড উপজেলার মধ্যে দশটি নার্সারির মধ্যে অভিযান চালিয়ে এই দুই জাতের গাছের চারা ধ্বংস করা হয়। সাথে সাথে তাদেরকে প্রতিটি গাছ বাবদ চার টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়।কৃষি কর্মকর্তা মোঃ হাবিবুল্লাহ বলেন, ‘ইউক্যালিপটাস ও আকাশমনি গাছ পরিবেশের ক্ষতি করে। তাই উপজেলার মধ্যে বিভিন্ন নার্সারিতে অভিযান চালিয়ে প্রায় ৯০ হাজার সাতশত চারা ধ্বংস করা হয়। এ সময় নার্সারির মালিকদেরকে প্রতিটি গাছ বাবদ চার টাকা করে মোট তিন লক্ষ ৬২ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়। ভবিষ্যতে নার্সারি মালিকরা এই ধরনের গাছের চারা উৎপাদন ও বিপণন থেকে বিরত থাকার অঙ্গীকার নিয়েছেন।’ গাছ ধ্বংসের অভিযানের সময় কৃষি কার্যালয়ের কর্মচারী বৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।এসআর
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
