মনির খান। চলমান সময়ে সংগীতের বাইরেও বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে দেখা যায় তাকে। পাশাপাশি রাজনীতিতেও সক্রিয় তিনি।বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরেই জড়িত এ গায়ক। বিভিন্ন সময় গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকে সফলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন। এ অবস্থায় হঠাৎ করেই গত কয়েক দিন ধরে মিথ্য তথ্য ছড়ানো হচ্ছে যে, দল থেকে পদত্যাগ করেছেন মনির খান! যা একদম অসত্য বলে দেশের একটি জনপ্রিয় টিভি চ্যানেলকে জানালেন এ গায়ক।সোমবার (১৪ জুলাই) দুপুরে মনির খান বলেন, ‘কে, কারা বা এক অসাধু চক্র যেন সোশ্যাল মিডিয়া ফেসবুকসহ বিভিন্ন মাধ্যমে দাবি করছে যে, আমি নাকি দল থেকে সরে এসেছি! যা একদমই ভুল তথ্য। ২০১৮ সালের একটি তথ্যকে বিকৃত করে ভুল তথ্য ছড়ানো হচ্ছে। আমার শ্রোতা, শুভাকাঙ্ক্ষী এবং এলাকার মানুষের কাছে ভুল তথ্য পৌঁছানো হচ্ছে। এটি কখনোই কাম্য নয়।’এ গায়ক জানান:ছাত্রজীবন থেকেই বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত তিনি। যা বিভিন্ন সময় বলে এসেছেন। ক্যারিয়ারের সেরা সময়ে রাজনীতিতে সরব থেকেছেন। সেই ধারাবাহিকতায় একসময় জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা (জাসাস)-এর সাধারণ সম্পাদক এবং পরবর্তীতে বিএনপির সহ-সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদকের মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন।মনির খান বলেন, ‘২০১৮ সালে দলটির সব ধরনের কার্যক্রম থেকে অভিমান করে সরে আসি আমি। তখন পদ থেকে সরে এসেছি, কিন্তু দল ছাড়িনি। দলের কঠিন সময়েও সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছি। দল ছাড়ার তো প্রশ্নই আসে না। আমি বিএনপিতে ছিলাম, আছি। আমাকে নিয়ে যে গুজব ছড়ানো হচ্ছে, তা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। বিগত ১০ বছর ধরে এলাকার সব কিছু গুছিয়ে এনেছি আমি। এলাকার দলীয় থেকে সর্বস্তরের মানুষ আমাকে ভালোবাসে। যাদের দোয়া ও ভালোবাসয় সারা বিশ্বর কাছে আজ আমি আজকের এই মনির খান।এ সময় আসন্ন সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ নিয়েও কথা বলেন তিনি। ‘অঞ্জনা’ খ্যাত গায়ক বলেন, ‘এলাকার মানুষের জন্য শুরু থেকেই কাজ করে যাচ্ছি। এখন দল যদি চায়, জনগণ যদি চায়; আমাকে যোগ্য মনে করলে অবশ্যই জনগণের সেবার উদ্দেশ্যে দলের সিদ্ধান্ত মেনেই কাজ করব। আর সব ভক্ত-শুভাকাঙ্ক্ষীদের বলব, কোনো গুজবে যেন কেউ কান না দেয়।’এফএস
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
