এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মূখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেছেন, হাইব্রিড নেতারা অন্যের ছেলের ভবিষ্যত নষ্ট করে তার ছেলের ভবিষ্যৎ বিদেশে হেফাজতে রেখে অন্যের ছেলেকে চামচা বানাই আর তার নিজের ছেলেকে নেতা বানায়। ছাত্র জনতার গণঅভ্যুত্থানে জন্ম নেওয়া নতুন নেতৃত্বের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ সামনের দিকে এগিয়ে যাবে। তবে এনসিপি কখনো বাংলাদেশের বিপক্ষে গেলে এনসিপিকে ধাক্কা দিতে দু’বার ভাববেন না।বৈষম্যহীন নতুন বাংলাদেশ গড়ার শপথে ঐতিহাসিক জুলাই পদযাত্রা কর্মসুচীতে যোগ দিয়ে মেহেরপুরের গাংনীতে তিনি এ কথা বলেন।তিনি বলেন, কোন মার্কা ও ব্যক্তির কাছে আমাদের বিবেক যেন বন্ধক না থাকে। যারা বাংলাদেশকে ধারণ করে এবং জনপ্রিয় তাদেরকেই নেতা নির্বাচিত করবো। নির্বাচনের সময় আমাদের দেশে এক শ্রেনীর নেতা উৎপাদন হয় ঢাকা থেকে বস্তায় বস্তায় টাকা নিয়ে প্রবেশ করে। নির্বাচনের আগের রাতে ওসি এসপি ও পোলিং এজেন্টদের কিনে নেয়। নেতা নির্বাচনের আগের রাতে টাকা নিয়ে আসবে একদিন টাকা দেবে আর পাঁচ বছর গোলামী করাবে।হাসনাত আবদুল্লাহ আরও বলেন, ভোটের আগের রাতে যখন আপনাদেরকে টাকা দিতে পারবে তখন আছে সেবক থাকবে না হয়ে যাবে মালিক আর আপনি হয়ে যাবেন তার দাস। বাংলাদেশকে আরও অযোগ্য নেতা আর গম চোরদের হাতে তুলে দিয়েন না। রাস্তার টাকা মেরে তারা হজ করতে চায় তাদেরকে তুলে দিয়েন না।জনগণ পাশে থাকতে তাহলে দিল্লি পালাতে হয় না। লন্ডন থাকতে হয় না। জনগণ সাথে থাকলে এই বাংলাদেশেই থাকতে হয়। কোন পিন্ডি দিল্লি ও লন্ডন আমেরিকার উপর নির্ভর করতে চাই না। আমাদের রাজনীতি কোন ব্যবসায়ীর কাছে বর্গা দিইনি। জনগণের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহ করে জনগণের জন্য রাজনীতি করব।মঙ্গলবার (৮ই জুলাই) গাংনী বাজার বাসস্ট্যান্ড এলাকায় জুলাই পদযাত্রায় অংশগ্রহণ করেন এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, এনসিপির মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ, সারজিস আলম, সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব ডাঃ তাসনিম জারা, যুগ্ম মূখ্য সংগঠক অ্যাডভোকেট শাকিল আহমেদ, যুবশক্তির কেন্দ্রীয় সংগঠন মুজাহিদুল ইসলামসহ কেন্দ্রীয় কমিটির একঝাঁক উদ্যমী তরুণ নেতৃত্ব।এনআই
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
