ভোলার তজুমদ্দিনে স্বামীকে আটকে রেখে মারধর করে গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় আরও দু’জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতারকৃতরা হলেন- যুবদল কর্মী মো. আলাউদ্দিন ও শ্রমিক দল নেতা মো. ফরিদ উদ্দিন। তারা মামলার এজাহারের ১ নম্বর ও ২ নম্বর আসামি।বুধবার (০২ জুলাই) দিবাগত মধ্যরাতে নোয়াখালীর হাতিয়া থেকে আলাউদ্দিন এবং ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলা থেকে ফরিদ উদ্দিনকে গ্রেফতার করা হয়।এর আগে, গতকাল দুপুরে ভোলার ইলিশা লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মামলার ৫ নম্বর আসামিকে গ্রেফতার করে র্যাব। এছাড়াও ঘটনার পরের দিন ভুক্তভোগীর সতিনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এ নিয়ে এই মামলার ৭ আসামির মধ্যে এখন পর্যন্ত ৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।তজুমদ্দিন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মহব্বত খান জানান, রাতে অভিযান চালিয়ে মামলার প্রধান আসামী আলাউদ্দিন ও ফরিদ উদ্দিনকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং বাকী আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলমান আছে।এদিকে গতকাল বুধবার বিকেলে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন ভোলার পুলিশ সুপার মো. শরীফুল হক। এসময় তিনি ভুক্তভোগী পরিবারকে বিচারের আশ্বাস দিয়ে বলেন, ‘কোনো অপরাধীকে ছাড় দেওয়া হবে না।’এছাড়াও এই বিষয়ে আজ বেলা ৩টায় সাংবাদিকদের নিয়ে একটি প্রেস ব্রিফিং করবেন বলে জানানো হয়।প্রসঙ্গত, গেল সোমবার ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলার চাঁদপুর ইউনিয়নের মোল্লার পুকুর পাড় এলাকায় চাঁদার দাবিতে রাতভর স্বামীকে মারধর করে স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে স্থানীয় শ্রমিকদল, ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। ঘটনার পর ৭ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরো ৪-৫ জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী ওই নারীর স্বামী। এর পরেই ঘটনাটিকে ঘিরে ভোলাসহ সারাদেশে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়।এআই
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
