আগামী আগস্টে ইন্দোনেশিয়ায় একটি সরকারি সফরে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের। বাংলাদেশ এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বৃহত্তম দেশটির মধ্যে বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং সাংস্কৃতিক সম্পর্ক বৃদ্ধির লক্ষ্যে কাজ করছে দেশ ২টি। সোমবার (২৩ জুন) একটি কূটনৈতিক সূত্র জানিয়েছে, দেশ ২টির কর্মকর্তারা উভয় পক্ষের জন্য সুবিধাজনক একটি তারিখ নির্ধারণের জন্য কাজ করছেন। ঢাকার সঙ্গে জাকার্তা তার সম্পর্ক আরও গভীর করতে আগ্রহী বলে জানিয়েছে। কর্মকর্তাদের মতে, সফরে বাংলাদেশ ও ইন্দোনেশিয়ার মধ্যে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে সহযোগিতা প্রধান হিসেবে গুরুত্ব পাবে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যেই ইন্দোনেশিয়ার সঙ্গে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের সহযোগিতার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কাছ থেকে মতামত চেয়েছে। প্রধান উপদেষ্টা তার অন্যান্য ব্যস্ততার পাশাপাশি পরিকল্পিত সফরের সময় ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রপতি প্রাবোও সুবিয়ান্তোর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন। চলতি মাসের শুরুতে বাংলাদেশ সফরকারী ইন্দোনেশিয়ার উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরমানাথ ক্রিশ্চিয়াওয়ান নাসির বাংলাদেশকে দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলে তাদের ‘কৌশলগত’ এবং ‘গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য অংশীদার’ হিসাবে বর্ণনা করেছেন। তিনি বাংলাদেশে ভবিষ্যতে বিনিয়োগের জন্য উভয়ের লাভজনক ক্ষেত্রগুলো অন্বেষণে তার দেশের প্রস্তুতি ব্যক্ত করেন এবং বাংলাদেশে বিদ্যুৎ উৎপাদন, জ্বালানি সঞ্চয় এবং জ্বালানি অবকাঠামো উন্নয়নের ক্ষেত্রে বৃহত্তর সহযোগিতার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন। গত ২ জুন নাসিরের সঙ্গে সাক্ষাতের আগে প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের আগে অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বেশ কয়েকবার ইন্দোনেশিয়া সফর করেছিলেন। তিনি দুঃখ প্রকাশ করেন যে ঢাকা এবং জাকার্তা তাদের ধর্মীয়, ঐতিহাসিক এবং সাংস্কৃতিক পটভূমি সত্ত্বেও ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তুলতে পারেনি। ‘আমাদের অবশ্যই সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ বন্ধু হতে হবে’ উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, সাংস্কৃতিক ও শিক্ষামূলক সফরসহ আরও বেশি করে উভয় দেশের জনগণের মধ্যে বিনিময়ের উপর গুরুত্ব দিতে হবে। ইন্দোনেশিয়ার সঙ্গে একটি শক্তিশালী সম্পর্ক গড়ে তোলার জন্য আমরা সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালাতে প্রস্তুত।এনকে/এইচএ
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
