‘দেশি ফল বেশি খাই, আসুন ফলের গাছ লাগাই’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে দেশীয় ফলের প্রদর্শনী করতে টাঙ্গাইলে জাতীয় ফল মেলার আয়োজন করা হয়েছে। সোমবার (২৩ জুন) জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কার্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত মেলায় তিনটি স্টল থাকায় সমালোচনার ঝড় বইছে।প্রধান অতিথি হিসেবে মেলার উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক শরীফা হক। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. আশেক পারভেজের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাফিসা আক্তার, সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রুমানা আক্তার প্রমুখ। মেলায় তিনটি স্টল অংশ নেয়। শেষে নারিকেলে আবাদ ও উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৪৭০ জন শিক্ষার্থীর মাঝে নারিকেলের চারা বিতরণ করা হয়। স্থানীয়রা বলছেন, যেহেতু জাতীয় ফল মেলা, সেখানে ৩টি স্টল নিয়ে আবার মেলা হয় কীভাবে। এটি সরকারি অর্থায়নে করা হলেও দায়সারাভাবে বিষয়টি বাস্তবায়ন করা হয়েছে।নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন স্কুল শিক্ষার্থী বলেন, আমাদের এখানের নারিকেলের চারা দেয়া হবে। সেজন্য আমরা এখানে এসেছি। আমরা তো জানি, মেলায় অনেকগুলো স্টল থাকে। জেলা পর্যায়ে তিনটি স্টল দিয়ে মেলা করা যায় সেটি আমাদের জানা নাই। এখানে লোক দেখানো মেলা ছাড়া শেখার কিছুই নেই।রহমত উল্লাহ নামের এক ব্যবসায়ী বলেন, আমরা জানি জেলা পর্যায়ে অনেক টাকা বরাদ্দ থাকে। সেখানে এতো ছোট্ট করে মেলা! এটি কি মেলা না করবার আয়োজন, তা কিছুই বুঝতে পারছি না। উপজেলা পর্যায়েও তো এর চেয়ে বড় মেলা হয়। দায়সারাভাবে মেলাটি করা হলো।টাঙ্গাইল কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. আশেক পারভেজ জানান, কয়েক দিন আগে কৃষি নিয়ে অনেক বড় মেলা করেছি। সারাদেশেই একই বরাদ্দ। তাই ছোট করে মেলার আয়োজন করেছি। অন্য জেলা অন্যভাবে বড় আকারে জাতীয় ফল মেলা করতে পারে, কিন্তু আমি তা করিনি। যা বরাদ্দ ছিলো, তাই দিয়েই মেলা করেছি।তবে এই সমালোচনার প্রেক্ষিতে কৃষি উপপরিচালক আশেক পারভেজ বলেন, “কয়েকদিন আগেই বড় একটি কৃষি মেলা করেছি। সারাদেশে একই বরাদ্দ থাকে। তাই আমরা ছোট পরিসরে আয়োজন করেছি।”এসআর
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
