ঘরোয়া ও মহাদেশীয় ফুটবলে সাফল্য পাওয়া দলগুলো যখন বিশ্বমঞ্চে পা রাখে, তখন বাস্তবতার মুখোমুখি হতে হয় তাদের। এমনই এক কঠিন পাঠ পেল আল-আইন। ২০২৪ সালের এএফসি চ্যাম্পিয়নস লিগের শিরোপা জেতা ক্লাবটি ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপে ইউরোপিয়ান পরাশক্তির বিপক্ষে রীতিমতো ধুঁকছে।টানা দুই ম্যাচে, দুই ইউরোপিয়ান জায়ান্ট—জুভেন্টাস ও ম্যানচেস্টার সিটির কাছে ১১ গোল হজম করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের এই ক্লাবটি। ফুটবল বিশ্বে ইউরোপের আধিপত্য যে কতটা বিস্তৃত, তা আরও একবার চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল এই ফলাফল।আজ ‘জি’ গ্রুপের ম্যাচে ম্যানচেস্টার সিটির ৬-০ গোলের জয় ছিল কেবল একটি ম্যাচ নয়, বরং ছিল দুই মহাদেশের ফুটবলের শক্তি ও কাঠামোর তফাতের প্রতিচ্ছবি। সিটির হয়ে অভিজ্ঞ গুনদোয়ান থেকে শুরু করে তরুন এচেভেরি—সবাই গোলের উৎসবে মেতেছেন। ম্যাচের ৮ম মিনিটে কর্নার থেকে বল পেয়ে বক্সের বাইরে থেকে দুর্দান্ত চিপে গোল করেন গুনদোগান। পরে দ্বিতীয়ার্ধে আরও একটি গোল করেন ৩৪ বছর বয়সী এই তারকা।এদিন প্রথমবারের মতো ম্যানচেস্টার সিটির শুরুর একাদশে সুযোগ পেয়েছেন আর্জেন্টাইন তরুন মিডফিল্ডার ক্লাদিও এচেভেরি। আর সুযোগ পেয়েই তা কাজে লগান তিনি। ম্যাচের ২৭তম মিনিটে ফ্রি-কিক থেকে দারুণ এক গোল করেন ১৯ বছর বয়সী এই তারকা। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে সিটির তৃতীয় গোলটি করেন নরওয়েজিয়ান স্ট্রাইকার আর্লিং হলান্ড।দ্বিতীয়ার্ধে গোলের ধারা অব্যাহত রাখে সিটি। ৭৩ মিনিটে গুনদোয়ানের দ্বিতীয় গোলের পর, ৮৪ মিনিটে অস্কার বব ও ৮৯ মিনিটে রায়ান চেরকি গোল করে স্কোরলাইন ৬-০ করেন।এ জয়ে দুই ম্যাচ শেষে ৬ পয়েন্ট নিয়ে গোল ব্যবধানে এগিয়ে থেকে শীর্ষে রয়েছে ম্যানচেস্টার সিটি। সমান পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে জুভেন্টাস। প্রথম দুই ম্যাচে হেরে বিদায় নিশ্চিত হয়েছে আল-আইন ও উইদাদের।গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে ২৬ জুন মুখোমুখি হবে দুই ইউরোপিয়ান পরাশক্তি — ম্যানচেস্টার সিটি ও জুভেন্টাস।আরডি
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
