প্রবাসে এসে স্বপ্ন বাস্তবায়নের আগেই আকস্মিক হৃদযন্ত্র কিংবা স্ট্রোক করে অনেকেই শামিল হচ্ছেন মৃত্যুর কাতারে। দেশের মায়া ত্যাগ করে জীবন-জীবিকার তাগিদে হাজার হাজার মাইল দূরে শ্রম বিক্রি করা এই স্বপ্নবাজ প্রবাসীরা স্বপ্ন পূরণের আশায় কাজ করে বছরের পর বছর। রেমিট্যান্স পাঠিয়ে পরিবার এবং দেশের অর্থনীতির চাকা সচল রাখেন। সকলেরই লক্ষ্য থাকে অর্থনৈতিক স্বাবলম্বী হয়ে একদিন নিজ দেশে ফিরে যাওয়ার। অথচ শ্রম বিক্রিতে ব্যস্ত প্রবাসীদের কর্মক্ষমতার পাশাপাশি কমতে থাকে আয়ুষ্কাল। নিয়তির বিধানে কারো কারো জীবন অবসান ঘটে যায় নিষ্ঠুর প্রবাসে।এমনই একজন প্রবাসী ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়নের পবনবেগ গ্রামের আব্দুল হক মোল্যার ছোট ছেলে তৌহিদুর ইসলাম (৪৬)। পরিবারের সুখের আশায় গত ৮ বছর পূর্বে পাড়ি জমান সৌদি আরবের তায়েফ শহরে। সেখানেই বৃহস্পতিবার (১৯ জুন) সৌদিআরব সময় রাত ১১টার দিকে (বাংলাদেশ সময় ভোররাত ৩টা) নিজ বাসায় মৃত্যুবরণ করেন প্রবাসী বাংলাদেশি এই রেমিট্যান্স যোদ্ধা।মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে তৌহিদুর ইসলামের ভাগ্নে তাহের আহমেদ শুভ জানান, ‘মামা গত ৮ বছর পূর্বে জীবন-জীবিকার তাগিদে সৌদি আরবে পাড়ি জমান। বৃহস্পতিবার রাতে কাজ শেষে বাসায় আসার কিছুক্ষণ পরেই ব্রেইন স্ট্রোক করলে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। তার মরদেহ স্থানীয় হাসপাতালের হিমঘরে সংরক্ষিত করে রাখা হয়েছে। মরদেহ দেশে আনার জন্য পারিবারিকভাবে প্রস্তুতি চলছে।’এদিকে প্রবাসী তৌহিদুর ইসলামের মৃত্যুর সংবাদে পরিবার ও এলাকাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তাদের বাড়িতে চলছে শোকের মাতম।এআই
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
