রামগড়ের একমাত্র পর্যটন জলাশয় রামগড় লেকের সৌন্দর্য ফেরাতে কচুরিপানা পরিষ্কার কর্মসূচি পালন করেছে রামগড় বিএনপি। উপজেলা প্রশাসন কার্যালয়ের সামনে অবস্থিত এই লেক দীর্ঘ ১৭ বছর অবহেলার শিকার। রামগড়ের একমাত্র পর্যটন স্পট রামগড় লেকটি ইতিমধ্যে কচুরিপানায় ভরে উঠায় সৌন্দর্য ফেরাতে পরিস্কারের উদ্যোগ নেন রামগড় উপজেলা ও রামগড় বিএনপি পরিবারসহ সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা।বুধবার (১৮ জুন) সকালে পৌর বিএনপির সভাপতি জসিম উদ্দিন ও উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শাফায়েত মোর্শেদ ভূইয়ার নেতৃত্বে দলটির নেতা-কর্মীরা প্রতিকূল আবহাওয়া বৃষ্টি উপেক্ষা করে লেকটি পরিস্কারে অভিযান শুরু করেন। উল্লেখ্য, ২০০১ থেকে ২০০৬ সালে বিএনপি সরকারের সময়ে খাগড়াছড়ি আসনের সাবেক সাংসদ জেলা বিএনপির বর্তমান সভাপতি ওয়াদুদ ভূইয়া পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান থাকাকালীন দৃষ্টিনন্দন রামগড় ঝুলন্ত ব্রিজ ও লেকটি তৈরি করেন।কিন্তু বিএনপি ক্ষমতা থেকে বিদায় নিলে দীর্ঘ ১৭ বছর আওয়ামী সরকার লেকটির কোনো উন্নয়ন কিংবা সৌন্দর্য ফেরাতে কোনো উদ্যোগ না নেয়ায় বর্তমানে লেকটি ময়লা আবর্জনা ও কচুরিপানায় সৌন্দর্যহীন হয়ে পড়ে। অতপর যাদের হাতে এই লেকের সূচনা, তাদের হাতেই রক্ষণাবেক্ষণের উদ্যোগটি রামগড়ে বেশ প্রশংসিত হচ্ছে।পৌর যুবদলের সভাপতি জামাল শামিম জানান, ‘শুধু বিএনপি রামগড়ের লেকটি তৈরি করেছে’ এ প্রতিহিংসায় লেকটির কোনো উন্নয়ন তো করেনি, উল্টো লেকের লাইট, রেলিং, বোর্ড, ফুল ও ফলের সব গাছ ধ্বংস করে দিয়ে লেকটিতে ময়লা দূষিত বর্জ্য ফেলেছে।উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শাফায়েত মোর্শেদ ভূইয়া বলেন, ‘খাগড়াছড়ির সাবেক সাংসদ ওয়াদুদ ভূইয়ার পরিকল্পনায় লেকটি নির্মিত হওয়ায় আওয়ামী লীগ সরকার এটিকে ধ্বংস করেছে।’ এখন বিএনপি ক্ষমতায় না থাকলেও শুধু দায়বদ্ধতা ও রামগড়ের সৌন্দর্য রক্ষায় বিএনপি পরিবার বৃষ্টি উপেক্ষা করে লেকটি পরিষ্কার করছে।পৌর বিএনপির সভাপতি জসিম উদ্দিন জানান, ‘বিএনপি ক্ষমতায় গেলে ফের লেকটি সৌন্দর্য বর্ধন করা হবে। আমাদের অর্ধশত নেতাকর্মী পরিষ্কার অভিযানে অংশ নিয়েছে। কাল আবারো পরিষ্কার অভিযান চলবে।’ এসআর
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
