রাজধানীর শ্যামপুরে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে সংঘটিত চাঞ্চল্যকর চুরি, ভাংচুর ও লুটপাটের ঘটনায় র্যাব-১০-এর অভিযানে দুই এজাহারনামীয় আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সোমবার (১৭ জুন) বিকেলে ঢাকা মহানগরীর কোতোয়ালী থানাধীন জনসন রোড এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে র্যাব।র্যাব-১০ সূত্রে জানা যায়, গত ১৩ জুন রাত আনুমানিক ১১টা ৩০ মিনিটে ডিএমপির শ্যামপুর থানাধীন করিমুল্লাবাগ এলাকায় ‘সুজানা ট্রেডার্স’ নামক একটি প্রতিষ্ঠানে পূর্ব শত্রুতার জেরে এই চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটে। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, প্রতিষ্ঠানের মালিক আনোয়ার হোসেন খান সুজন (৫০)-এর অনুপস্থিতিতে অভিযুক্তরা প্রথমে পাহারাদার বাচ্চু শাহ (৭৫)-কে পাশের একটি দোকানের চেয়ারে বেঁধে রাখে। পরে প্রতিষ্ঠানটির তালা ভেঙে তারা প্রায় ২৮ লাখ ৫০ হাজার টাকা নগদ অর্থ লুটে নেয়।এছাড়া অফিসের ভেতরে থাকা মূল্যবান কাগজপত্র, চেকবই এবং আনুমানিক ৫৫০ কেজি পিতলের ক্যাবল (যার বাজারমূল্য প্রায় ৬ লাখ টাকা) চুরি করে নিয়ে যায়। শুধু চুরি নয়, অভিযুক্তরা একটি ভেকু মেশিন দিয়ে প্রতিষ্ঠানটির ভেতরে ব্যাপক ভাংচুর চালায়, যার ফলে আনুমানিক ২০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগী।পরদিন ১৪ জুন শ্যামপুর থানায় এ ঘটনায় একটি মামলা দায়ের করা হয় (মামলা নম্বর- ০৭, ধারা- ১৪৩/৪৪৮/৩৪২/৩৮০/৪২৭/৫০৬/১১৪ পেনাল কোড, ১৮৬০)। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় আসামিদের শনাক্ত করে র্যাব-১০-এর সহায়তা চান।পরে র্যাব-১০-এর একটি আভিযানিক দল জনসন রোড এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে দুই আসামিকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃতরা হলেন: মো. আরিফুল শিকদার (৫২), পিতা – মো. শফিউল্লাহ শিকদার, সাং – পোস্তগোলা, থানা – শ্যামপুর, ডিএমপি, ঢাকা এবং মো. রুহুল আমিন (৫৬), পিতা – আজিজুর রহমান, সাং – তেঘরিয়া, থানা – মেলান্দহ, জেলা – জামালপুর।গ্রেফতারের পর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাদের সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে র্যাব।এসআর
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
