ভোলার তজুমুদ্দিনে এক প্রতিবন্ধী কিশোরীসহ পৃথক দুটি ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকা ৩ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শনিবার (১৪ জুন) বিকেলে ও রাতে তজুমুদ্দিন থানায় পৃথক দুটি মালমা করেন ভুক্তভোগীরা।ধর্ষণ দুটি ঘটনার একজন হলেন উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের চাপড়ী গ্রামের বাক ও মানসিক প্রতিবন্ধী খাদিজা বেগম (১৫) এবং অপরজন হলেন লাইজু বেগম (২৫)। তিনি মনপুরা উপজেলার মাস্টারহাট গ্রামের বাসিন্দা ও এক সন্তানের জননী।এদিকে ঘটনার পর অভিযুক্ত ৩ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতারকৃতরা হলেন মো. বেল্লাল (৩৫), মো. সোহেল (২৪) ও আ. রহমান সুমন (৩২)। অন্যান্য অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।স্থানীয় ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, প্রতিবন্ধী কিশোরী খাদিজাকে তার মামা বাদশা ওরফে বাসু মিয়া বেড়ানোর কথা বলে নিজ ভ্যানে করে তাদের বাড়িতে নেয়। বাড়িতে পৌঁছানোর পরে বাড়ির অন্য সদস্যরা বাইরে থাকার সুবাদে ওই কিশোরীকে ধর্ষণ করেন মামা। পরে ওই কিশোরীর চিৎকার চেচামেচিতে আশপাশের মানুষ ছুটে এসে বিবস্ত্র অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে।অপরদিকে লাইজু বেগম নামের বিবাহিত ওই নারী নীলফামারী জেলার এক পুরুষের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক আসক্ত ছিলেন। ঈদ পরবর্তীতে তারা দুজন দেখা করতে তজুমুদ্দিনে আসেন। এ সময় তাদের আটকে রেখে ওই নারীকে বেল্লাল ও আব্বাস নামে দুজন মিলে পালাক্রমে ধর্ষণ করে।তজুমদ্দিন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মহব্বত খান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘উভয় ঘটনায় পৃথক দুটি মামলা রুজু হয়েছে। ভুক্তভোগীদের ভোলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসা ও পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। ঘটনায় জড়িত থাকা ৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে বাক ও মানসিক প্রতিবন্ধীর ধর্ষণের শিকার হওয়া মামাকে গ্রেফতার করা যায়নি। তাকে গ্রেফতারের অভিযান অব্যাহত আছে।’এসআর
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
