মানুষের বিপদে ঝাঁপিয়ে পড়াই ছিল তাঁর স্বভাব। দিন হোক বা রাত দুইটা, কারো বিপদের কথা শুনলেই সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতেন। কিন্তু সেই অতি-বিশ্বাস আর পরোপকারী মনোভাবই এখন কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে শারীরিক প্রতিবন্ধী ব্যবসায়ী মামুন মিয়ার জীবনে। পরিচিত ও আত্মীয়-স্বজনের প্রায় ৭ লক্ষ টাকা বাকিতে লেনদেন ও ঋণ নিয়ে প্রতিবন্ধী ব্যবসায়ী মামুনকে প্রতিবন্ধকতায় ফেললো সমাজের বৃত্তশালীরা। তিনি এখন পথে বসার উপক্রম।​সহযোগিতার প্রতিদান যখন প্রতারণা মোবাইল মেরামত, মোবাইল রিচার্জ ও মোবাইল ব্যাংকিংয়ে ব্যবসা করা মামুন মিয়া ছিলেন সমাজে উদাহরণ। শারীরিক প্রতিবন্ধী হয়েও মানুষের কাছে হাত না পেতে নিজের মেধা ও শ্রম মাধ্যমে মোবাইল মেরামত, মোবাইল রিচার্জ ও মোবাইল ব্যাংকিংয়ে ব্যবসা। বছরে ৬০-৭০ লক্ষ টাকার লেনদেন করা এই সফল ব্যবসায়ী আজ নিজের সন্তানদের জন্য খাবার কেনার টাকা নেই তার হাতে। ​মামুন মিয়ার দুই সন্তানও বাবারমতো শারীরিক প্রতিবন্ধী। বর্তমানে তার ব্যবসা প্রায় বন্ধের পথে। যাদের কাছ থেকে বাকিতে মালাম ও এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করতেন তাদের ঋণ ও এনজিওর কিস্তি পরিশোধ করতে পারছেন না তিনি।এদিকে পাওনা টাকা ফেরত চাওয়ায় মো. মামুন মিয়াকে ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মামুন মিয়া পাকুন্দিয়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।জানা গেছে, নারান্দী মধ্যেপাড়া এলাকার নাসিমা আক্তারের কাছো ১ লাখ ৮৭ হাজার টাকা, স্থানীয় ইটা খলার মালিকনজরুলের কাছে ১ লাখ ৩৯ হাজার টাকা, নারান্দী ইউনিয়ন পরিষদের মহিলা মেম্বার মিরা খাতুনের কাছে ৭৩ হাজার টাকা, আওয়ামী লীগ নেতা ও নারান্দী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম (ভিপি শফিক) কাছে ৬০ হাজার টাকা, নারান্দী পশ্চিম পাড়ার চাঁন মিয়ার কাছে ৩২ হাজার, নারান্দী চরপাড়া এলাকার যুবক শাহীনের কাছে ১০ হাজার টাকা, একই এলাকার সৈয়দ মিয়ার কাছে ৪ হাজার, সৌদি আরব প্রবাসী বুলবুল মিার স্ত্রীর কাছে ৮হাজার, বিজয় নামে এক যুবকের কাছে ৭৫০০ টাকা পাবেন। এছাড়াও অনেকের কাছে ১০০০ হাজার থেকে ৫০০ টাকা পাবেন শারীরিক প্রতিবন্ধী মামুন মিয়া। এই ব্যবসা পরিচালনা করতে গিয়ে মামুন মিয়ার ঋণ হয়ে প্রায় ৩ লাখ টাকা। এই ঋণের কারণে মামুন তার দোকান খোলতে পারেন না পাওনাদারদের চাপে। ​অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, পাকুন্দিয়া উপজেলার নারান্দী গ্রামের মৃত আ. কাদিরের ছেলে মামুন মিয়ার সাথে প্রতিবেশী মোছা. নাছিমা আক্তারের (৩৫) সুসম্পর্ক ছিল। সেই সুবাদে প্রায় এক বছর আগে নাছিমা আক্তার মামুন মিয়ার কাছ থেকে ৭০ হাজার টাকা ধার নেন। টাকা পরিশোধের সময় হলে নাছিমা জানায়, মামুন মিয়ার স্ত্রী আয়েশা আক্তারের নামে একটি এনজিও থেকে ১ লাখ টাকা উত্তোলন করে দিলে সেই টাকা দিয়ে আগের ঋণ শোধ করবেন এবং এনজিওর কিস্তিও তিনি নিজেই চালাবেন। ​সরল বিশ্বাসে মামুন মিয়া তার স্ত্রীর নামে ১ লাখ টাকা তুলে নাছিমা আক্তারকে দেন। কিন্তু টাকা নেওয়ার পর থেকেই নাছিমা ও তার পরিবার টালবাহানা শুরু করে এবং এনজিওর কিস্তি দেওয়া বন্ধ করে দেয়। বর্তমানে সুদে-মূলে মামুনের পাওনা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৮৭ হাজার টাকা। ​গত ১ জানুয়ারি সকালে মামুন মিয়া নাছিমার বাবার বাড়ি লক্ষিয়া গ্রামে গিয়ে পাওনা টাকা ফেরত চাইলে নাছিমা আক্তার টাকা না দিয়ে তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং বিভিন্ন প্রকার ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দেন। স্থানীয়ভাবে মীমাংসার চেষ্টা করে ব্যর্থ হওয়ার পর ভুক্তভোগী মামুন মিয়া থানায় আইনের আশ্রয় নিয়েছেন।মোহাম্মদ আজিজুল হাকিম নামের এক যুবক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক এবং লজ্জাজনক; যা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বর্তমানে শারীরিকভাবে বেশ অসুস্থ। যেখানে তাকে সাহায্য-সহযোগিতা করা প্রয়োজন, সেখানে উল্টো তাকে নানাভাবে হয়রানি করা হচ্ছে।​আমরা দীর্ঘদিন যাবৎ শুনে আসছি যে, তিনি অনেকের কাছে টাকা পাওনা আছেন, কিন্তু সেই পাওনা টাকাগুলো তাকে পরিশোধ করা হচ্ছে না। একসময় তার ব্যবসা অত্যন্ত জমজমাট থাকলেও, বর্তমানে তিনি চরম আর্থিক সংকটে দিনাতিপাত করছেন। অসুস্থ শরীর আর দুই অসুস্থ সন্তান নিয়ে তিনি এখন দিশেহারা। মানবিক দিক বিবেচনা করে তার পাওনা টাকাগুলো দ্রুত ফিরিয়ে দেওয়া উচিত বলে আমি মনে করি।”ইসলাম মিয়া বলেন, অনেক মানুষ তার কাছ থেকে টাকা ধার নিয়েছে, কিন্তু এখন সেই টাকা ফেরত দিচ্ছে না। পাওনা টাকা আদায়ের জন্য বারবার ধরণা দিয়েও তিনি কোনো সুরাহা পাচ্ছেন না। একজন শারীরিক প্রতিবন্ধী হয়েও তিনি নিজের প্রচেষ্টায় ব্যবসা চালিয়ে আসছিলেন, কিন্তু পুঁজি আটকে যাওয়ায় বর্তমানে তার ব্যবসা বন্ধের পথে। পাওনাদাররা যদি তার টাকাগুলো ফেরত দিয়ে দিত, তবে তিনি পুনরায় ব্যবসাটি সচল করতে পারতেন এবং স্বচ্ছলভাবে জীবনযাপন করতে পারতেন।”স্থানীয় এলাকার বাসিন্দা ফরহাদ হোসেন বলেন, “একজন প্রতিবন্ধী ব্যক্তি হয়েও মামুন ভিক্ষা না করে ব্যবসা করে নিজের পরিবার চালাচ্ছেন। কিন্তু পাওনা টাকা উদ্ধার করতে না পারায় বর্তমানে তার ব্যবসা বন্ধ হওয়ার পথে। আমরা জনগণের পক্ষ থেকে এবং আইনগতভাবে চেষ্টা করেও কোনো সমাধান পাইনি। উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় এমপি মহোদয়ের কাছে আমার বিনীত অনুরোধ, তারা যেন দ্রুত মামুনের পাওনা টাকা উদ্ধারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।”ছাত্রদল নেতা ফজলে রাব্বি প্রদীপ বলেন,​”মামুন আমাদের এলাকার একজন সুপরিচিত ও নিষ্ঠাবান ব্যবসায়ী। অত্যন্ত দুঃখের বিষয় যে, একজন শারীরিক প্রতিবন্ধী হওয়া সত্ত্বেও তাকে রাজনৈতিক প্রভাব ও ভয়ভীতির মুখে ফেলে সাবেক আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীসহ কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি বড় অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। দীর্ঘ সময় পার হলেও তারা সেই পাওনা টাকা আর ফেরত দিচ্ছে না। ​ইতিপূর্বে এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে অনুরোধ করা হলেও তারা কর্ণপাত করেনি এবং প্রশাসনিক রদবদলের কারণে আইনি প্রক্রিয়াটিও থমকে আছে। আমরা প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি—একজন অসহায় মানুষের ন্যায্য অধিকার ফিরিয়ে দিতে এবং আত্মসাৎকারীদের কাছ থেকে দ্রুত টাকা আদায়ের ব্যবস্থা করতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করুন।”অভিযুক্ত শাহীন বলেন, আপনার কাছে কি কোনো ডকুমেন্টস আছে? আপনি যে আমারে জিজ্ঞাসা করলেন কথাটা। আপনার কাছে কি কোনো ডকুমেন্টস আছে? ডকুমেন্টস যদি থাকে তাহলে সমস্যা নাই। আপনি আমারে বললেন যে সে আমার কাছ থেকে টাকা পাবো। সেইজন্য আমারে আপনে ফোন দিছেন। আমি যদি বলি আপনার কাছে টাকা পাবো তাহলে কি এইটা রাইট হয়ে যাবে? আচ্ছা ঠিক আছে ফোন রাখেন।”বিজয় বলেন, “উনি আমার কাছে টাকা পান, তবে কোনোদিন নিজে থেকে চাননি। আমিই কিছুদিন আগে ওনাকে বলেছিলাম, ‘ভাই, আপনি আমার কাছে কিছু টাকা পাবেন, আমি তা শীঘ্রই পরিশোধ করে দেবো।’ বর্তমানে আমার বিদেশে যাওয়ার ব্যবস্থা হচ্ছে। বাড়ি থেকে টাকা আসামাত্রই আমি ওনার সব পাওনা বুঝিয়ে দেবো। জোহেল ভাইও এ বিষয়ে একমত হয়েছেন। বিশ্বাস করুন ভাই, আমিও একজন প্রতিবন্ধী। সেই হিসেবে ওনার কাছে…। ঠিক আছে, যেহেতু আপনি বিষয়টি আমাকে জানালেন, আমি অবশ্যই উনার টাকা টা দেওয়ার চেষ্টা করব।নারান্দী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম (ভিপি শফিক বলেন, কেউ যদি কারও কাছে মাত্র দশটি টাকাও পায়, সেই পাওনা মিটিয়ে দেওয়া অত্যন্ত জরুরি। কারণ এটি তার অর্জিত হক। অন্যের টাকা আত্মসাৎ করা বা হজম করা আমাদের জন্য ক্ষতির কারণ হবে। বর্তমান প্রেক্ষাপট বা পরিস্থিতি খুব একটা ভালো নয়; এমনকি আমি এখন এলাকায়ও থাকতে পারছি না। ​মামুন আমার অত্যন্ত কাছের এবং আদরের একজন ছোট ভাই। তার যেকোনো প্রয়োজনে বা সুবিধা-অসুবিধায় আমি সবসময় পাশে থাকার চেষ্টা করি। তবে সে ঠিক কত টাকা আমার কাছে পাবে, সে ব্যাপারে আমি বর্তমানে নিশ্চিত নই। আমার সব ধরনের আর্থিক লেনদেন মামুনের ঘনিষ্ঠ বন্ধু সুমন দেখাশোনা করে। আমি সুমনকে গতকালই বলেছি মামুনের সাথে বসে বিস্তারিত হিসাব মিলিয়ে নিতে এবং আমাকে জানাতে। আমি যতো দ্রুত পারবো তার টাকা টা দিয়ে দিব।এদিকে, পাওনা টাকা আদায়ের বিষয়ে ভুক্তভোগী মামুন মিয়া একাধিক ব্যক্তির নাম উল্লেখ করেছেন। তার দাবি অনুযায়ী— নারান্দী মধ্যপাড়া গ্রামের নাসিমা আক্তারের কাছে ১ লাখ ৮৭ হাজার টাকা, স্থানীয় ইটা খলার নজরুলের কাছে ১ লাখ ৩৯ হাজার টাকা এবং নারান্দী ইউনিয়নের ৭, ৮ ও ৯ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত মহিলা সদস্য মিরা খাতুনের কাছে ৭৩ হাজার টাকা পাওনা রয়েছে। এ ছাড়াও পাওনাদারের তালিকায় রয়েছেন— নারান্দী পশ্চিম পাড়ার চাঁন মিয়া ৩২ হাজার টাকা, নারান্দী চরপাড়া এলাকার সৈয়দ মিয়া ৪ হাজার টাকা এবং সৌদি আরব প্রবাসী বুলবুল মিয়ার স্ত্রী ৮ হাজার টাকা। পাওনা টাকার বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তাদের পক্ষ থেকে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।ভুক্তভোগী প্রতিবন্ধী মামুন মিয়া কান্না জড়িত কণ্ঠে বলেন, আমি একজন শারীরিক প্রতিবন্ধী হয়েও দিন-রাত মানুষের সেবা করেছি। বিশ্বাস করে পরিচিতজন ও প্রবাসীদের বিপদে অনেক টাকা ধার দিয়েছি। এমনকি গভীর রাতে ফোন করলেও আমি বিকাশের মাধ্যমে টাকা পাঠিয়ে সহযোগিতা করেছি। বর্তমানে মানুষের কাছে আমার পাওনা প্রায় ৭ লক্ষ টাকা, কিন্তু এখন চাওয়ার সময় তারা অস্বীকার করছে। ​নিজের দুই প্রতিবন্ধী সন্তান নিয়ে আমি এখন নিঃস্ব। মানুষের পাওনা টাকা দিতে পারছি না বলে ভয়ে দোকান খুলতে পারি না। আমি কারো কাছে হাত পাততে চাই না, শুধু নিজের কষ্টের টাকাগুলো ফেরত চাই। প্রশাসন এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধির কাছে আমার আকুল আবেদন, তারা যেন আমার পাওনা টাকা উদ্ধারে সহযোগিতা করেন যাতে আমি বেঁচে থাকার পথ খুঁজে পাই।”পাকুন্দিয়া উপজেলার নারান্দি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ মুছলেহ উদ্দিন বলেন,”তিনি যদি আমার কাছে লিখিত অভিযোগ বা আবেদন জানান, তবে আমাদের গ্রাম আদালতের মাধ্যমে যতটুকু সম্ভব আমি তার বকেয়া পাওনা আদায়ের সর্বোচ্চ চেষ্টা করব। এছাড়া প্রয়োজনবোধে আদালতের বাইরেও উভয় পক্ষের মধ্যে আলোচনার (দেনদরবার) মাধ্যমে আমি তার পাওনা বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাব।”এসআর  

Source: সময়ের কন্ঠস্বর

সম্পর্কিত সংবাদ
বিপুল ডিজেল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে আসছে ৪ জাহাজ
বিপুল ডিজেল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে আসছে ৪ জাহাজ

মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত পরিস্থিতির মধ্যে সবচেয়ে বেশি পরিমাণ ডিজেল নিয়ে চারটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরের উদ্দেশে রওনা দিয়েছে। এসব ট্যাংকারে মোট ১ Read more

সাশ্রয়ী মূল্যের ওষুধ নিশ্চিত করতে ইউএপি শিক্ষার্থীদের ক্যাম্পেইন
সাশ্রয়ী মূল্যের ওষুধ নিশ্চিত করতে ইউএপি শিক্ষার্থীদের ক্যাম্পেইন

‘বিপণনের শক্তি সমাজের ইতিবাচক পরিবর্তনে ব্যবহার করা সম্ভব’ এমন প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সাশ্রয়ী মূল্যে ওষুধ পাওয়ার ‘নাগরিক অধিকার’ নিশ্চিতের দাবিতে Read more

বিসিবি পরিচালক নির্বাচিত হলেন যারা
বিসিবি পরিচালক নির্বাচিত হলেন যারা

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) ২০২৫-২৬ মেয়াদের পরিচালনা পরিষদের নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। গঠনতন্ত্র অনুযায়ী তিনটি ক্যাটাগরি এবং এনএসসি কোটায় মোট Read more

বিপিএলের স্থগিত হওয়া দুই ম্যাচের নতুন সূচি প্রকাশ
বিপিএলের স্থগিত হওয়া দুই ম্যাচের নতুন সূচি প্রকাশ

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) মঙ্গলবারের দু’টি ম্যাচ স্থগিত করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম Read more

মহেশখালীতে মৎস্যঘের থেকে তুলে নিয়ে যুবককে গুলি করে হত্যা
মহেশখালীতে মৎস্যঘের থেকে তুলে নিয়ে যুবককে গুলি করে হত্যা

কক্সবাজারের মহেশখালীতে মৎস্যঘের থেকে তুলে নিয়ে তোফায়েল আহমদ (৩৩) নামে এক যুবককে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। রবিবার (২৪ আগস্ট) Read more

বাউশিয়ায় মানাবে পার্কের পানিতে জলাবদ্ধতা, ভোগান্তিতে ২৫ পরিবার
বাউশিয়ায় মানাবে পার্কের পানিতে জলাবদ্ধতা, ভোগান্তিতে ২৫ পরিবার

মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার বাউশিয়া ইউনিয়নে মানাবে পার্কের পানিতে জলাবদ্ধতার শিকার ২৫ পরিবার।গজারিয়া উপজেলার বাউশিয়া এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক সংলগ্ন দেশের খ্যাতনামা Read more

আমরা নিরপেক্ষ নই ,    জনতার পক্ষে - অন্যায়ের বিপক্ষে ।    গণমাধ্যমের এ সংগ্রামে -    প্রকাশ্যে বলি ও লিখি ।   

NewsClub.in আমাদের ভারতীয় সহযোগী মাধ্যমটি দেখুন