গাজীপুরের কাশিমপুরে তুরাগ নদী থেকে উদ্ধার হওয়া অজ্ঞাতনামা এক ব্যক্তির মরদেহের রহস্য ২০ দিনেও উদঘাটন করতে পারেনি পুলিশ। এতে করে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ ও আতঙ্ক বিরাজ করছে।জানা যায়, গত ৬ মার্চ মহানগরের কাশিমপুরের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ধনঞ্জয়খালী এলাকায় আলমাছের বাড়ির সামনে তুরাগ নদীতে ভাসমান অবস্থায় একটি মরদেহ দেখতে পান স্থানীয়রা। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে।পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নিহত ব্যক্তি একজন পুরুষ, যার বয়স আনুমানিক ৩০ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে। তার উচ্চতা প্রায় ৫ ফুট ৬ ইঞ্চি, মুখমণ্ডল গোলাকার এবং মাথার চুল ছোট, প্রায় ৩ থেকে ৪ ইঞ্চি লম্বা। মরদেহের মাথায় গভীর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।এছাড়াও ডান হাতের কব্জির ওপর নীল রঙে “N+S” লেখা একটি ট্যাটু রয়েছে। পেটের ওপর এবং ডান পায়ের হাঁটুর উপরে কাটা জখমের চিহ্নও দেখা গেছে। উদ্ধারকালে মরদেহটি আংশিকভাবে পচনধরা ছিল।এ ঘটনায় কাশিমপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। তবে মরদেহ উদ্ধারের ২০ দিন অতিবাহিত হলেও এখনো পর্যন্ত নিহত ব্যক্তির পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। একই সঙ্গে হত্যার কারণ কিংবা এর সঙ্গে জড়িতদের সম্পর্কেও নিশ্চিত কোনো তথ্য জানাতে পারেনি পুলিশ।এবিষয়ে কাশিমপুর থানার এসআই ও তদন্তকারী কর্মকর্তা পাপন হোসেন জানান, মরদেহের পরিচয় এখনো শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। যেহেতু মরদেহটি তুরাগ নদীতে পাওয়া গেছে, তাই এটি কোন দিক থেকে ভেসে এসেছে তা নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না। তবে বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা হচ্ছে।এদিকে, রহস্যজনক এই হত্যাকাণ্ডে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ বিরাজ করছে। দ্রুত ঘটনার রহস্য উদঘাটন এবং জড়িতদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন তারা।ইখা
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
