প্রায় দীর্ঘ এক দশক ধরে ছিলেন প্রবাসে। প্রবাস থেকে ছুটিতে এসে জানতে পারেন দুই কিডনি নষ্ট। নষ্ট কিডনি নিয়ে ইতিমধ্যে পার দু’বছর। বলছি, চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার কাশিয়াইশ ইউনিয়নের দ্বারক গ্রামের মো. ইব্রাহীমের সন্তান মো. ইকবাল হোসেন (৩৮) এর কথা। তিন কন্যা সন্তান ও স্ত্রীকে নিয়ে বর্তমানে আনোয়ারা সদর ইউনিয়নের উপজেলা ডাক বাংলো রোডে বসবাস করছেন তিনি। কিন্তু দেশে ফেরার পরই নেমে আসে জীবনের ভয়াবহ দুর্দশা। দুই কিডনি নষ্ট হয়ে মৃত্যুর মুখে দাঁড়িয়ে আছেন তিনি।প্রবাসী ইকবালের পরিবার জানায়, পাঁচ বছর আগে করোনাকালে তার শরীরে বাসা বাঁধে ডায়াবেটিস। এরপর ২০২৩ সালে দেশে ফেরার পর ধরা পড়ে কিডনি সমস্যা। প্রথমদিকে ওষুধে চিকিৎসা চালালেও বর্তমানে ওষুধ কার্যকর না হওয়ায় চিকিৎসকরা দ্রুত কিডনি প্রতিস্থাপনের পরামর্শ দিয়েছেন। একটি কিডনি প্রতিস্থাপনে ব্যয় হবে প্রায় ৩৫ লাখ টাকা, আর চিকিৎসার পূর্ণ খরচ ধরা হয়েছে প্রায় ৪০ লাখ টাকা।অসহায় ইকবাল হোসেন বলেন, ‘আমার দুই কিডনি নষ্ট হয়ে গেছে। আমাকে বাঁচান। আমার তিনটি ছোট মেয়ে রয়েছে। ঘরে উপার্জনক্ষম আর কেউ নেই। আমি সরকার ও সমাজের বিত্তবানদের কাছে সাহায্যের আকুতি জানাচ্ছি।’স্ত্রী জেনি আক্তার কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ‘আমার স্বামীকে বাঁচাতে হলে একটি কিডনি প্রতিস্থাপন জরুরি। সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছি। বাড়ি বন্ধক দিয়েছি। এখন কেবল সবার সহায়তাই আমাদের ভরসা।’চতুর্থ শ্রেণিতে পড়ুয়া কন্যা ইসরাত নীলা কাঁদতে কাঁদতে বলে, ‘আমার আব্বু ছাড়া আমাদের আর কেউ নাই। আব্বুর কিছু হলে আমরা বাঁচবো কিভাবে? আমাদের পড়াশোনাও বন্ধ হয়ে যাবে। আব্বুর চিকিৎসার জন্য সবাই যেন সাহায্য করে।’মানবিক কারণে সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও সরকারি সংশ্লিষ্ট দপ্তরের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রবাসী ইকবালের পরিবার। অসহায় এই প্রবাসী ইকবাল হোসেনকে একটি নতুন জীবন দেওয়ার জন্য বিত্তবানদের এগিয়ে আসা উচিত বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। একজন বাবার জীবন বাঁচলে তিনটি নিষ্পাপ সন্তানের ভবিষ্যৎও বেঁচে যাবে।ইকবাল হোসেনের চিকিৎসায় সহযোগিতা পাঠাতে আগ্রহীরা বিকাশ/নগদ নম্বরে বা ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে সহায়তা করতে পারেন। বিকাশ/নগদ নং — 01894-159142। ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নং — 1154101140559 (পূবালী ব্যাংক, আনোয়ারা শাখা)।এসআর
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
