ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে ভোট কারচুপির অভিযোগ করেছেন বৈষম্যবিরোধী শিক্ষার্থী সংসদ প্যানেলের জিএস প্রার্থী আবু বাকের মজুমদার।মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘ভোটের বাইরে পরিবেশ খুবই চমৎকার এবং ইতিবাচক। শিক্ষার্থীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট দিচ্ছেন কিন্তু আমরা অমর একুশে হলে ভোট কারচুপির বিষয়টি শুনতে পেয়েছি। এখানে আগে থেকে ব্যালট পূরণ করে রাখা হয়েছে।’তিনি বলেন, ‘এই প্ল্যান শুধু অমর একুশে হলে নয়; আমরা আরও পাঁচ-সাত দিন আগে শুনতে পেয়েছিলাম যে প্রতিটি হলে ২০০-৩০০ ভোট এ রকম (আগে পূরণ করে রাখা) করবে। এতে তারা ৫ হাজার ৬০০ ভোট এদিক-ওদিক করতে পারে।’কারা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত, জানতে চাইলে আবু বাকের বলেন, ‘যাদের ভোট নাই তারাই এমন প্ল্যান করছে। আর কাদের ভোট নাই, কাদের ক্যাম্পাসে জনসম্পৃক্ততা নাই–এটা সবাই জানে। আজ জিনিসটা দৃশ্যমান হলো।’তিনি বলেন, ‘এটা নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব। আমি মনে করি, তাদের একটা বড় অংশ ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের সঙ্গে জড়িত। কারণ শুরু থেকেই যখন আমরা এই কথাগুলো বলে আসছিলাম, তারা বারবার বলছে এ রকম কিছু হবে না, তারা গ্যারান্টি দিচ্ছিল। কিন্তু আজ আমরা সেটাই দেখতে পেয়েছি।’ভোট দিয়ে ভালোই লাগছিল, কিন্তু কারচুপির কথা শোনার পর খুবই খারাপ লাগছে। কারণ, ডাকসু আবার একটা কলঙ্কের মধ্যে প্রবেশ করল।’ভোট কারচুপির অভিযোগ আর কোন কোন হলে পেয়েছেন, জানতে চাইলে বাকের বলেন, এখন পর্যন্ত একুশে হলে পেয়েছি। যদিও আমরা আরও পাঁচ-সাত দিন আগেই শুনেছি যে প্রতিটা হলে এ ধরনের কারচুপি হতে পারে, বিশেষ করে নারীদের হলগুলো। ছাত্রলীগ নাকি ২০১৯ সালে একই ঘটনা ঘটিয়েছে রোকেয়া হল ও সুফিয়া কামাল হলে। কারণ এগুলোতে ভোটার বেশি, কারচুপি করাও সহজ।এইচএ
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
