বাংলাদেশের ঘরোয়া ক্রিকেটে বিদেশি ক্রিকেটাদের খেলার বিষয়টি স্বাভাবিক। তবে ঘরোয়া লিগে পুরো একটি বিদেশি দল খেলবে। এমন নজির নেই! সেই নজিরই এবার ভাঙতে চলেছে। প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগে (বিসিএল) অংশ নিতে যাচ্ছে একটি বিদেশি দল।২০১২ সালে ফ্র্যাঞ্চাইজি ভিত্তিক টুর্নামেন্ট হিসেবে যাত্রা শুরু হয় বিসিএলের। তবে সময়ের সঙ্গে দলগুলো থেকে সড়ে দাঁড়ায় স্পনসররা। পরবর্তীতে সব দল পরিচালনার দায়িত্ব নেয় বিসিবি। নতুন এই সংস্করণে চার দলের পরিবর্তে তিনটি দল গড়া হবে স্থানীয় ক্রিকেটারদের নিয়ে। চতুর্থ দল হিসেবে খেলবে বিদেশি দলটি।বিসিবির টুর্নামেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান আকরাম খান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘বিসিএলে একটি বিদেশি দল খেলবে, এই সিদ্ধান্ত হয়েছে। দলটা শ্রীলঙ্কা বা আফগানিস্তানের হতে পারে। এটি প্রথম শ্রেণির দল হতে পারে, আবার “এ” দল বা অন্য কোনো দলও হতে পারে।’আগামী ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত হবে বিসিএল। ধারণা করা হচ্ছে, শ্রীলঙ্কার ঘরোয়া ক্রিকেট চলবে বলে আফগানিস্তান থেকে কোনো একটি যোগ দেবে এই টুর্নামেন্টে। এদিকে বিসিবির ঘরোয়া সূচি অনুযায়ী, জাতীয় ক্রিকেট লিগ (এনসিএল) শুরু হওয়ার সম্ভাব্য তারিখ ১৫ অক্টোবর। আর বিসিএলের ৫০ ওভারের আসরটি হওয়ার কথা ৪ থেকে ১১ ডিসেম্বরের মধ্যে।এনসিএল ও বিসিএলের পারফরম্যান্স নজরে রাখবে বিপিএলের দলগুলো। বিপিএলের ড্রাফট হবে এনসিএল টি–টোয়েন্টির পর। ড্রাফটের আগে খেলোয়াড়দের দেখে নেওয়ার সুযোগ পাবে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো।সম্প্রতি একটি গুঞ্জনও উঠেছে, এবারের এনসিএলেও বিদেশি ক্রিকেটার খেলানো হতে পারে। যদিও আকরাম খান বলেছেন, ‘এ রকম কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। এ নিয়ে আলোচনা হয়েছে মাত্র।’উল্লেখ্য, এনসিএলের প্লেয়িং কন্ডিশনে আগে থেকেই একজন করে বিদেশি ক্রিকেটার খেলানোর সুযোগ ছিল। তবে এটি বাধ্যতামূলক নয় এবং বিসিবি শুধু ম্যাচ ফি দেয়। ফলে কোনো বিভাগীয় দল বিদেশি ক্রিকেটার আনতে আগ্রহী হয় না। ২০১৩-১৪ মৌসুমের পর এনসিএলে আর বিদেশি ক্রিকেটার খেলেননি।আকরাম খানের মতে, ‘দলগুলোর সম্মতির ভিত্তিতে বিসিবি যদি বিদেশি খেলানো বাধ্যতামূলক করে, তাহলেই কেবল জাতীয় লিগে আবার বিদেশি ক্রিকেটারদের দেখা যেতে পারে।’আরডি
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
