রাশিয়ার পূর্বাঞ্চলীয় ভোস্তোচনি কসমোড্রোম থেকে বহুপদাতিক মহাকাশ অভিযানের অংশ হিসেবে মহাকাশে নিজস্ব উপগ্রহ উৎক্ষেপণ করতে যাচ্ছে ইরান। শুক্রবার (২৫ জুলাই) রাশিয়ার ঐতিহ্যবাহী সোয়ুজ রকেটের মাধ্যমে এই উৎক্ষেপণ সম্পন্ন হবে।ভোস্তোচনি কসমোড্রোমের লঞ্চ প্যাড ১-এস থেকে ইরানি সময় সকাল ৯টা ৫৪ মিনিটে রকেটটি উৎক্ষেপণের পরিকল্পনা রয়েছে। এই সোয়ুজ রকেটটি একাধিক দেশের মোট ২০টি স্যাটেলাইট বহন করবে, যার মধ্যে একটি ইরানের।এই উৎক্ষেপণ একটি মাল্টি-স্যাটেলাইট মিশনের অংশ, যার মূল উদ্দেশ্য গবেষণা, বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ ও বাণিজ্যিক কাজে উপগ্রহগুলোকে পৃথিবীর কক্ষপথে স্থাপন করা। মিশনের প্রধান দুটি স্যাটেলাইট হলো Ionosphere-M No. 3 ও Ionosphere-M No. 4, যেগুলো পৃথিবীর আয়নোমণ্ডল পর্যবেক্ষণে নিয়োজিত থাকবে। এছাড়া রয়েছে আরও ১৮টি ছোট উপগ্রহ, যাদের পরিচয় এখনো প্রকাশ করেনি রুশ কর্তৃপক্ষ।২০২২ সালে ‘খায়াম’ নামের একটি উপগ্রহ রাশিয়ার মাধ্যমে মহাকাশে পাঠিয়েছিল ইরান। সেই উৎক্ষেপণের মাধ্যমে তেহরান ও মস্কোর মধ্যে মহাকাশ প্রযুক্তিতে কৌশলগত সহযোগিতার সূচনা হয়। এবারকার মিশন সেই সহযোগিতাকে আরও জোরদার করল বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার মুখে ইরান মহাকাশ প্রযুক্তিতে দীর্ঘদিন ধরেই চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ছিল। রাশিয়ার সহায়তায় স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের মাধ্যমে ইরান কেবল তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহের বিকল্প পথ তৈরি করছে না, বরং ভবিষ্যতে পর্যবেক্ষণ ও সামরিক সক্ষমতাও বাড়াতে পারবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এমআর-২
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
