প্রতি বছরের ন্যায় সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে আগামীকাল ঈদ পালন করবেন ভোলার ১৪টি গ্রামের প্রায় ৫ হাজার মানুষ। বৃহস্পতিবার (৫ জুন) সকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার সুরেশ্বরী দরবার শরীফ ও চট্টগ্রামের সাতকানিয়া মির্জাখীল দরবার শরীফের অনুসারীরা। শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার সুরেশ্বরী দরবার শরীফ ও চট্টগ্রামের সাতকানিয়ার মির্জাখীল দরবার শরীফের অনুসারীরা জানান, জেলার বিভিন্ন গ্রামে প্রায় ৫ হাজার অনুসারী রয়েছে তাদের। সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে তারা আগামীকাল ঈদুল আযহা পালন করবেন। তবে জেলায় ৫ হাজার অনুসারীর মধ্যে সবচেয়ে বেশি অনুসারী রয়েছে ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলায়। এই উপজেলার টবগী ও মুলাইপত্তন গ্রামেই রয়েছে তাদের প্রায় ৩ হাজার অনুসারী। বোরহানউদ্দিন উপজেলার টবগী গ্রামের বাসিন্দা সুরেশ্বরী দরবার শরীফের অনুসারী মো. সুমন মিয়া সময়ের কণ্ঠস্বরকে জানান, সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে আগামীকাল তারা ঈদ পালন করবেন। সকাল ৯টায় ওই গ্রামের পঞ্চায়েত বাড়ির দরজায় ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত হবে। এরপর তাদের কোরবানির পশু জবাই করবেন। সুরেশ্বরী দরবার শরীফ ও সাতকানিয়ার মির্জাখীল দরবার শরীফের অনুসারী এবং বোরহানউদ্দিন উপজেলার মুলাইপত্তন গ্রামের আমিন মিয়া চৌকিদার বাড়ি দরজা জামে মসজিদের ঈমাম মাওলানা আনোয়ার হোসেন জানান, প্রতি বছরের মতো এবছরও তারা সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে কোরবানি ও ঈদুল আযহা পালন করবেন। সকাল সাড়ে ৮টায় তাদের ঈদুল আযহার জামাত অনুষ্ঠিত হবে। তিনি আরও জানান, ভোলা সদর উপজেলা, বোরহানউদ্দিন, দৌলতখান, তজুমদ্দিন, লালমোহন, চরফ্যাশন ও মনপুরা উপজেলার ১৪টি গ্রামে সুরেশ্বরী দরবার শরীফ ও সাতকানিয়ার মির্জাখীল দরবার শরীফের অনুসারীরা ঈদ পালন করবেন। দেশের স্বাভাবিক নিয়মের একদিন আগে ঈদ পালন করা এইসব অনুসারীরা বলছেন, সারা বিশ্বের মুসলমানরা তাদের ধর্মীয় উৎসবগুলো একই দিন পালন করা উচিত। যা আরব দেশগুলোর সাথে মিল রেখে তারা পালন করছেন। এনআই
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
