বরগুনার তালতলীতে মসজিদে ঈদের নামাজের সময় হাফেজ মো. ইমরান হোসেন নামে এক ইমামকে ছুড়ি দিয়ে আক্রমণ চেষ্টার ঘটনা ঘটেছে। এসময় হামলাকারী মো. মাসুম বিল্লাহ নামে এক যুবককে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছে এলাকাবাসী।সোমবার (৩১ মার্চ) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার শারিকখালি ইউনিয়নের আঙ্গারপাড়া এলাকার শিকদার বাড়ি জামে মসজিদে এ ঘটনা ঘটে। আটক যুবক মাসুম বিল্লাহ করাইবাড়িয়া ইউনিয়নের আলীর বন্দর গ্রামের সাইদুল কাজীর ছেলে।ইমাম মো. ইমরান হোসেন করাইবাড়িয়া ইউনিয়নের আলীর বন্দর গ্রামের ইব্রাহিম মোল্লার ছেলে ও আঙ্গাপাড়া শিকদার বাড়ি জামে মসজিদের ইমাম হিসেবে কর্মরত আছেন।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মাসুম ও ইমাম ইমরান একসময় বন্ধু ছিলেন। পরে তাদের ভিতরে ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে দীর্ঘদিন দ্বন্দ্ব চলছিলো। এ জের ধরে আজ সকালে ঈদের নামাজের সময় মাসুম ইমামের ঠিক পেছনে দাঁড়িয়ে ছিলেন। পরে নামাজ চলাকালীন সময় ইমাম ইমরান হোসেন রুকুতে গেলে তাকে পিছন থেকে ছুড়ি দিয়ে আঘাত করার চেষ্টা চালায়। এসময় মুসল্লিরা প্রতিরোধ করেন এবং তাকে গণধোলাই দিয়ে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন।প্রত্যক্ষদর্শী ও মসজিদের সাবেক সেক্রেটারি মো. জাকির হোসেন বলেন, নামাজের দ্বিতীয় রাকাতের সময় মাসুম বিল্লাহ দুই ফুট লম্বা একটি ছুড়ি বের করে আক্রমণ এর চেষ্টা চালায়। এ সময় আমি নামাজ ছেড়ে দিয়ে প্রতিরোধ করি। তবে জানতে পেরেছি ইমামের সাথে ওই যুবকের পূর্ব শত্রুতা রয়েছে ।হামলাকারী মাসুম বিল্লাহ বলেন, ইমরান আমার খুব কাছের বন্ধু ছিলো। গত বছর কোরবানির ঈদের সময় আমার প্রেমিকাকে একা পেয়ে ইজ্জত নষ্ট করে। এই জন্য আমি ওর উপর প্রতিশোধ নিতে চাইছি।এ বিষয়ে ইমাম মো. ইমরান হোসেন বলেন, ছাত্রজীবনে মাসুম সাথে মোবাইল চুরির ঘটনা নিয়ে দ্বন্দ্ব ছিলো। এর জের ধরে হত্যার উদ্দেশ্যে আমর উপর হামলা চালায়।তালতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো শাহজালাল বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মাসুম বিল্লাহকে আটক করেছে। এ বিষয়ে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।পিএম
Source: সময়ের কন্ঠস্বর