সৌদি আরবে চাঁদ দেখা গেছে। ফলে আগামীকাল রোববার (৩০ মার্চ) দেশটিতে উদযাপিত হবে ঈদুল ফিতর। এদিকে সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদ উদযাপনের প্রস্তুতি নিয়েছে চাঁদপুরের অর্ধশত গ্রামের ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা। যদিও অনুসারিদের দাবি মূলত বিশ্বের যেকোনো স্থানে চাঁদ দেখা যাওয়ার ভিত্তিতে চাঁদপুরের অর্ধশত গ্রামে রোজা ও ঈদ উদযাপন করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঐতিহাসিক সাদ্রা দরবার শরীফের পীর মাওলানা আরিফ চৌধুরী।সাদ্রা দরবার শরীফের পীর মাওলানা আরিফ চৌধুরী জানান, পৃথিবীর যে কোন প্রান্তে চাঁদ দেখা গেলে, তার ওপর নির্ভর করে আমরা রোজা ও ঈদ পালন করি।আগাম ঈদ উদযাপন করা গ্রামগুলো হলো, হাজীগঞ্জ উপজেলার সাদ্রা, সমেশপুর, অলিপুর, বলাখাল, মনিহার, প্রতাপুর, বাসারা; ফরিদগঞ্জ উপজেলার লক্ষ্মীপুর, কামতা, গল্লাক, ভুলাচোঁ, সোনাচোঁ, উভারামপুর, উটতলি, মুন্সিরহাট, কাইতাড়া, মূলপাড়া, বদরপুর, আইটপাড়া, সুরঙ্গচাইল, বালিথুবা, পাইকপাড়া, নূরপুর, সাচনমেঘ, শোল্লা, হাঁসা, গোবিন্দপুর; মতলব উপজেলার দশানী, মোহনপুর, পাঁচানী এবং কচুয়া ও শাহরাস্তি উপজেলার বেশ কয়েকটি গ্রাম।স্থানীয়রা জানান, কোরআন ও হাদিসের আলোকে ১৯২৮ সাল থেকে প্রথম চাঁদ দেখার ওপর ভিত্তি করে ইসলামের সব ধর্মীয় রীতিনীতি প্রচলন শুরু করেন সাদ্রা দরবার শরীফের মরহুম পীর আল্লামা মোহাম্মদ ইসহাক চৌধুরী। মাওলানা ইছহাকের মৃত্যুর পর থেকে তার ৬ ছেলে এ মতবাদের প্রচার চালিয়ে আসছেন।এমআর
Source: সময়ের কন্ঠস্বর