ঢাকার ধামরাইয়ে তিন ফসলী জমির মাটি কেটে বিক্রি করার অভিযোগ উঠেছে ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতির বিরুদ্ধে।বিএনপির সভাপতির নাম আমিনুর রহমান নবীউল্লাহ। তিনি যাদবপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হিসেবে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করছেন বলেও একাধিক সূত্রে জানা গেছে। একাধিকবার থানা প্রশাসন থেকে নিষেধ করা সত্ত্বেও রাতের আধারে দলীয় প্রভাব খাটিয়ে মাটি কাটা সচল রাখার অভিযোগ রয়েছে এ সভাপতির বিরুদ্ধে। সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে, আমরাইল মৌজার তিন ফসলী জমির মাটি কেটে রাতের আধারে বিক্রি করছে। এর ফলে গ্রামীন রাস্তা নষ্ট হয়ে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ছে। রাস্তার পাশে বাড়িঘরে ধূলা বালি উড়ে গিয়ে বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ব্যক্তি জানায়, বিএনপির সভাপতি আমিনুর রহমান নবীউল্লাহ তিন ফসলী জমির মাটি কেটে বিক্রি করছে। রাতভর মাটি কাটার ফলে শব্দে এলাকার মানুষ ঘুমাতে পারে না। থানা প্রশাসন কয়েকবার বন্ধ করলেও রাতের আধারে পুনরায় মাটি কাটছে নবীউল্লা। কোন কিছু বললেই মিথ্যা মামলা ও হামলার হুমকি দেওয়া হয়।স্থানীয়রা জানায়, অপরিচিত বহিরাগত লোকজন দিয়ে এলাকায় টহল দিয়ে মাটি কাটা কার্যক্রম পরিচালনা করছে বিএনপির সভাপতি নবীউল্লাহ। থানা প্রশাসন বন্ধ করে দিলেও রাতের আধারে মাটি কাটা সচল রাখছে তারা।এলাকাবাসী আরো জানায়, গ্রামীণ রাস্তা রক্ষা করাসহ তিন ফসলী জমির মাটি বিক্রি বন্ধ করতে উপজেলা প্রশাসনের ভূমিকা আরো শক্তিশালী করা দরকার। তবে আফসোস গত আড়াই মাসে মাটি কাটার বিরুদ্ধে কোন অভিযান চালায়নি উপজেলা প্রশাসন।উপজেলা কৃষি অফিসার বলেন, তিন ফসলী জমির মাটি বিক্রি একটা অপরাধ। কোন ব্যক্তি তিন ফসলী জমির মাটি বিক্রি করতে পারেনা। নিজের জমিতে অনুমতি নিয়ে পুকুর খনন করলেও মাটি অন্যত্র বিক্রি করতে পারেনা। দলীয় প্রভাব খাটিয়ে মাটি বিক্রি করে দেশ ধ্বংস করলে কি করা যাবে।এবিষয়ে জানতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মামনুন আহমেদ অনিকের কাছে ফোন করলে তিনি ফোন রিসিভ করেনি।এইচএ
Source: সময়ের কন্ঠস্বর