আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন মহাসড়কে ঘরমুখো মানুষের ভিড় বেড়েছে। ঈদযাত্রাকে নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন করতে হাইওয়ে পুলিশ কুমিল্লা রিজিয়ন বিশেষ নিরাপত্তা পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে আদর্শ সদর উপজেলার সহযোগিতায় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন জেন-জি ৩৫০০ মহাসড়কে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে।পুলিশ, র্যাব, সেনাবাহিনীর ও স্কাউট সদস্যদের পাশাপাশি সংগঠনটির স্বেচ্ছাসেবীরা মহাসড়কের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে দায়িত্ব পালন করছে। যানজট নিরসন, পথচারীদের নিরাপদ পারাপার এবং চালকদের ট্রাফিক আইন মেনে চলতে উৎসাহিত করার মতো দায়িত্ব তারা পালন করছে। এছাড়া তারা যাত্রীদের সচেতনতা বৃদ্ধিতে প্রচারণা চালাচ্ছে এবং নারী, শিশু ও বৃদ্ধদের নিরাপদ যাতায়াতে সহায়তা দিচ্ছে।এই কার্যক্রম সম্পর্কে জেন-জি ৩৫০০ সংগঠনটির পরিচালক কাউসার হোসেন বলেন, “আমরা বিশ্বাস করি, নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করা আমাদের সামাজিক দায়িত্ব। ঈদ মানে শুধু আনন্দই নয়, বরং একে অপরের পাশে দাঁড়ানোরও সময়। ঘরমুখো মানুষ যেন নির্বিঘ্নে পরিবারের কাছে পৌঁছাতে পারে, সেই লক্ষ্যেই আমরা হাইওয়ে পুলিশের সঙ্গে কাজ করছি। এটি শুধু আমাদের স্বেচ্ছাসেবী উদ্যোগ নয়, বরং মানবিকতার অংশ।”কাউসার হোসেন আরো বলেন, “আমাদের এই সংগঠনটির স্বপ্নদ্রষ্টা হলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য হাজী আমিন উর রশিদ ইয়াছিন ভাই। তাঁর দিকনির্দেশনায় আমরা সংগঠনটিকে পরিচালনা করছি। তরুণদেরকে দিয়ে পরিচালিত এই সংগঠনটি আরো অনেক দূর এগিয়ে যাবে এই প্রত্যাশা করি। জেন জি-৩৫০০ শুধু একটি স্বেচ্ছাসেবী প্ল্যাটফর্ম নয়, এটি তরুণদের মানবিক কাজে উদ্বুদ্ধ করার একটি প্রয়াস। ঈদযাত্রা নিরাপদ করা আমাদের সবার দায়িত্ব। আমরা চাই, তরুণরা শুধু নিজেদের ভবিষ্যৎ গড়ার কথা না ভেবে সমাজের জন্যও কাজ করুক। এই উদ্যোগ তারই বাস্তব প্রতিফলন।”এদিকে, জেলা হাইওয়ে পুলিশ এই উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। তারা মনে করেন, এ ধরনের স্বেচ্ছাসেবী কার্যক্রম মহাসড়কের শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং দুর্ঘটনা কমাতে সহায়ক হবে। ভবিষ্যতে জেন-জি ৩৫০০ আরও বড় পরিসরে স্বেচ্ছাসেবী কার্যক্রম পরিচালনার পরিকল্পনা করছে। সংগঠনটি আশা করছে, আরও তরুণ এগিয়ে এসে সড়কে শৃঙ্খলা রক্ষায় ভূমিকা রাখবে।এই মহতী উদ্যোগের ফলে ঈদযাত্রা আরও স্বস্তিদায়ক ও নিরাপদ হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।এইচএ
Source: সময়ের কন্ঠস্বর